Muwatta Malik
Sahih
1500

রেওয়ায়ত ১. আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বলেন, ইহুদীদের একদল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট আসিয়া বলিল, তাহাদের একজন পুরুষ ও একজন স্ত্রীলোক ব্যভিচারে লিপ্ত হইয়াছে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম তাহাদেরকে জিজ্ঞাসা করিলেন : রজম বা প্রস্তরাঘাতের ব্যাপারে তাওরাতে কি আদেশ রহিয়াছে? তাহারা বলিলঃ আমরা ব্যভিচারকারীকে লজ্জিত করি এবং বেত্ৰাঘাত করিয়া থাকি। আবদুল্লাহ ইবন সালাম বলিলেন, তোমরা মিথ্যা বলিতেছ। তাওরাতে প্রস্তরাঘাতের শাস্তি রহিয়াছে। তাওরাত আনয়ন কর, উহা পড়িয়া দেখ। অতঃপর তাহারা তাওরাত খুলিল এক ব্যক্তি বেত্রাঘাতের উপর হাত রাখিয়া পূর্বাপর অবশিষ্ট আয়াত পড়িয়া শুনাইল। আবদুল্লাহ ইবন সালাম তাহাকে বলিলঃ তোমার হাত উঠাও তো। সে তাহার হাত উঠাইলে দেখা গেল উহাতে প্রস্তরাঘাতের আয়াত রহিয়াছে। অতঃপর সকল ইহুদীই স্বীকার করিল যে, আবদুল্লাহ ইবন সালাম ঠিকই বলিয়াছে তাওরাতে প্রস্তাঘাতের আয়াত বিদ্যমান রহিয়াছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয়কে প্রস্তরাঘাতের আদেশ করিলেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আদেশে উভয়কে প্রস্তরাঘাত করা হইল। আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বলেনঃ আমি দেখিলাম, পুরুষটি ঐ নারীকে আঘাত হইতে রক্ষা করিতে তাহার উপর ঝুঁকিয়া পড়িতেছিল। মালিক (রহঃ) বলেনঃ উহার উপর ঝুঁকিয়া পড়িতেছিল অর্থ পুরুষ নিজে প্রস্তরাঘাত সহ্য করিয়াও ঐ নারীকে প্রস্তরাঘাত হইতে রক্ষা করিতে যাইয়া তাহার উপর উপুড় হইয়া পড়িয়ছিল।

Daif
1501

রেওয়ায়ত ২. সাঈদ ইবনে মুসায়্যাব (রহঃ) বলেন, আসলাম গোত্রের এক ব্যক্তি আবু বকর (রাঃ)-এর নিকট আসিয়া বলিল, এই অধম ব্যক্তি[1] ব্যভিচারে লিপ্ত হইয়াছে। আবু বকর (রাঃ) তাহাকে বলিলেন, আমাকে ব্যতীত অন্য কাহারও নিকট ইহা প্রকাশ কর নাই তো? সে ব্যক্তি বলিলঃ না। তিনি বলিলেনঃ আল্লাহর নিকট তওবা কর আর আল্লাহর পর্দার আড়ালে লুকাইয়া থাক। কেননা আল্লাহ তা’আলা স্বীয় বান্দাদের তওবা গ্রহণ করিয়া থাকেন। কিন্তু ইহাতে তাহার প্রবোধ হইল না। সে অতঃপর উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হইল এবং আবু বকর (রাঃ)-এর নিকট যেরূপ বর্ণনা করিয়াছিল তদ্রুপ বর্ণনা করিল। উমরও তাহাকে ঐরপই বলিলেন, যেরূপ আবু বকর (রাঃ) বলিয়াছিলেন। ইহাতেও তাহার মনে প্রবোধ মানিল না। অগত্যা সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট আসিয়া বলিলঃ এই হতভাগা ব্যভিচারে লিপ্ত হইয়াছে। সাঈদ বলেনঃ ইহা শ্রবণে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহা হইতে মুখ ফিরাইয়া লইলেন। সে ব্যক্তি তাহার নিকট তিনবার এইরূপ বলিল। তিনবারই রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহা হইতে মুখ ফিরাইয়া লইলেন। অতঃপর যখন সে বলিতেই থাকিল তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহার পরিবারের নিকট লোক পাঠাইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন : এ ব্যক্তি কি রোগাক্রান্ত? এ ব্যক্তি উন্মাদ তো হইয়া যায় নাই? তাহারা বলিলেনঃ এই ব্যক্তি সম্পূর্ণ সুস্থ রহিয়াছে, ইয়া রাসূলাল্লাহ্। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করিলেন, তাহার বিবাহ হইয়াছে কি? রাবী বলেন, উপস্থিত লোকগণ বলিলঃ তাহার বিবাহ হইয়াছে, ইয়া রাসূলাল্লাহ্। অতঃপর তাহার সম্বন্ধে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রস্তরাঘাতের আদেশ করিলে তাহাকে প্রস্তরাঘাত করা হইল।

Sahih
1502

রেওয়ায়ত ৩. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলাম গোত্রের এক ব্যক্তিকে যাহার নাম হাযযাল ছিল, বলিলেন, “হে হাযযাল, যদি তুমি ঐ খবরটি (মাইয়ের ব্যভিচারের খবর) গোপন রাখিতে তাহা হইলে উহা তোমার জন্য ভালই হইত।” ইয়াহইয়া ইবনে সায়ীদ (রহঃ) বলেনঃ আমি এক সময় এক সভাস্থলে এই ঘটনা বর্ণনা করিলাম। তথায় ইয়াযীদ ইবনে নুয়াইম ইবনে হাযযালও উপস্থিত ছিল। তখন ইয়াযীদ বলিলঃ হাযযাল আমার পিতামহ ছিলেন। এই হাদীস সত্য।

Sahih
1503

রেওয়ায়ত ৪. ইবনে শিহাব যুহরী (রহঃ) বলিয়াছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের সময়ে এক ব্যক্তি নিজে ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার কথা চারিবার স্বীকার করিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের আদেশে তাহাকে প্রস্তরাঘাত করা হইল। ইবনে শিহাব বলেনঃ এজন্যই কোন ব্যক্তি নিজ অপরাধ করিলে উহা দ্বারা তাহার শাস্তি হইয়া থাকে।

Sahih Lighairihi
1504

রেওয়ায়ত ৫. আবদুল্লাহ ইবনে আবী মুলাইকা (রহঃ) বলেনঃ এক স্ত্রীলোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের খেদমতে উপস্থিত হইয়া ব্যভিচারের কথা স্বীকার করিল। সে মহিলা তখন অন্তঃসত্ত্বা ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাকে বলিলেনঃ তোমার সন্তান প্রসবের পর আসিও। অতঃপর ঐ স্ত্রীলোকটি প্রসবের পর আসিল। এবার রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাকে বলিলেনঃ এখন যাও, সন্তানের দুধ ছাড়া হলে আসিও। সন্তানের দুধ ছাড়ানোর পর ঐ মহিলাটি আবার আসিল। এবার রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাকে বলিলেন, যাও, এই সন্তানকে কাহারও তত্ত্বাবধানে রাখিয়া আস। সে তাহাকে কাহারও তত্ত্বাবধানে রাখিয়া আসিল। অতঃপর তাহার আদেশে তাহাকে প্রস্তরাঘাত করা হইল।

Sahih
1505

রেওয়ায়ত ৬. আবু হুরায়রা (রাঃ) ও খালিদ জুহানী (রাঃ) বলেনঃ দুই ব্যক্তির মধ্যে ঝগড়া হইয়া তাহারা উভয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের খিদমতে উপস্থিত হইল। তাহাদের একজন বলিলঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ আল্লাহর কিতাবের আইন অনুসারে আমাদের মীমাংসা করিয়া দিন। দ্বিতীয় ব্যক্তি খুব চতুর ছিল, বলিতে লাগিল : ইয়া রাসূলাল্লাহ্, আল্লাহর কিতাব অনুসারে মীমাংসা করুন এবং আমাকে কথা বলিতে দিন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ তুমি কি বলিতে চাও বল। সে বলিলঃ আমার ছেলে এই ব্যক্তির এখানে চাকর ছিল। সে এ ব্যক্তির স্ত্রীর সহিত ব্যভিচার করিয়াছে। অনেকে বলিলঃ তোমার ছেলেকে প্রস্তরাঘাত করা হইবে। আমি তাহার পক্ষ হইতে একশত বকরী এবং একটি দাসী ক্ষতিপূরণ হিসাবে দান করিলাম। অতঃপর আমি আলিমদের নিকট জিজ্ঞাসা করিলাম। তাহারা বলিলেনঃ তোমার ছেলেকে একশত বেত্ৰাঘাত করা হইবে এবং এ বৎসরের জন্য নির্বাসন দেওয়া হইবে। আর তাহার স্ত্রীকে প্রস্তরাঘাত করা হইবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ আল্লাহর কিতাব অনুসারেই আমি তোমাদের ফয়সালা করিব। তোমার বকরী ও দাসী তুমি ফেরত লইয়া যাও। ইহা তোমার মাল। অতঃপর তাহার ছেলেকে একশত বেত্ৰাঘাত লাগান হইল আর এক বৎসরের জন্য দেশ ত্যাগের আদেশ দিলেন এবং আনীস আসলামীকে দ্বিতীয় ব্যক্তির স্ত্রীকে হাযির করিতে নির্দেশ দেওয়া হইল। সেই স্ত্রীলোক অপরাধ স্বীকার করিলে তাহাকে প্রস্তারাঘাত করিতে বলা হইল। স্ত্রীলোকটি অপরাধ স্বীকার করায় তাহাকে প্রস্তরাঘাত করা হইল। মালিক (রহঃ) বলেনঃ উক্ত হাদীসে যে ‘আসীফ' (العسيف) শব্দ রহিয়াছে, উহার অর্থ ভৃত্য।

Sahih
1506

রেওয়ায়ত ৭. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত আছে, সা’দ ইবন উবাদা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলিলঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! যদি আমি আমার স্ত্রীর নিকট কোন ব্যক্তিকে পাই, তবে কি চারজন সাক্ষী আনা পর্যন্ত তাহাকে সময় দিব? রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ হ্যাঁ। সা'দ বলিলেনঃ আমি ঐ আল্লাহর শপথ করিয়া বলিতেছি, যিনি আপনাকে নবী করিয়া পাঠাইয়াছেন, আমি তো তাহাকে দেখামাত্র তলোয়ার দ্বারা দ্বিখণ্ডিত করিয়া ফেলিব। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ হে আনসারগণ, তোমাদের নেতা কি বলিতেছে শোন, সে তাহাকে বড় আত্মমর্যাদাসম্পন্ন মনে করে। আমি তো তাহা অপেক্ষা আত্মমর্যাদাসম্পন্ন আর আল্লাহ তা’আলা আমা অপেক্ষা অধিক আত্মমর্যাদাসম্পন্ন।

Mauquf Sahih
1507

রেওয়ায়ত ৮. আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছেন, আল্লাহর কিতাবে প্রস্তরাঘাতের যে বিধান রহিয়াছে উহা বাস্তব সত্য। যে ব্যক্তি ব্যভিচারে লিপ্ত হয় সে পুরুষ হউক অথবা নারী যদি বিবাহিত হয় আর চারজন সাক্ষী পাওয়া যায় অথবা তাহার পেটে বাচ্চা হয় বা স্বীকার করে, তবে প্রস্তরাঘাত করা হইবে।

Mauquf Sahih
1508

রেওয়ায়ত ৯. আবু ওয়াকিদ পাঠনী (রহঃ) বর্ণনা করেন, উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) যখন সিরিয়ায় ছিলেন এক ব্যক্তি তাহাকে বলিলঃ আমি আমার স্ত্রীর নিকট এক ব্যক্তিকে পাইলাম। উমর (রাঃ) আবু ওয়াকিদ লাইসীকে ঐ স্ত্রীলোকটির নিকট জিজ্ঞাসা করিতে পাঠাইলেন। আবু ওয়াকিদ তাহার নিকট যাইয়া দেখিলেন আরও কয়েকজন নারী বসিয়া আছে। আবু ওয়াকিদ স্ত্রীলোকটির নিকট তাহার স্বামী উমর (রাঃ)-এর নিকট যাহা বর্ণনা করিয়াছে তাহা বলিলেন। তিনি ইহাও বলিলেনঃ তোমার স্বামীর কথায় তোমাকে শাস্তি দেওয়া হইবে না, যদি না তুমি স্বীকার কর। অতঃপর আরও এই জাতীয় নানা কথা তাহাকে শিখাইতে লাগিলেন, যাহাতে সে স্বীকার না করে। কিন্তু সে ইহা মানিল না, বরং ব্যভিচারের কথা স্বীকার করিল। অতঃপর উমর (রাঃ)-এর আদেশে তাহাকে প্রস্তরাঘাত করা হইল।

Mauquf Sahih
1509

রেওয়ায়ত ১০. সাঈদ ইবন মুসায়্যিব (রহঃ) বর্ণনা করেন, উমর (রাঃ) যখন মিনা হইতে প্রত্যাবর্তন (২৩ হিজরী) করিলেন তখন তিনি (মক্কার অনতিদূরে) আবতাহ নাম স্থানে তাহার উট বসাইলেন। আর এদিকে কতকগুলি পাথর একত্র করিলেন। উহার উপর একখানা চাদর রাখিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িলেন। অতঃপর আকাশের দিকে স্বীয় হস্তদ্বয় উত্তোলন করিয়া বলিতে লাগিলেনঃ হে আল্লাহ! আমার অনেক বয়স হইয়াছে। শক্তি রহিত হইয়া গিয়াছে, প্রজাবৃন্দ অনেক হইয়া গিয়াছে। এ সময় আপনি আমাকে আপনার সন্নিধানে ডাকিয়া লউন, যাহাতে আমা দ্বারা আপনার কোন আদেশ অমান্য না হইয়া যায় এবং আপনার ইবাদতে অনিচ্ছা প্রকাশ হইয়া পড়ে। অতঃপর তিনি মদীনা চলিয়া গেলেন, মদীনার লোকদের সম্মুখে খুতবা দিতে যাইয়া বলিলেনঃ হে উপস্থিত ভ্রাতৃবৃন্দ তোমাদের সম্মুখে সমস্ত পথই প্রকাশ হইয়া পড়িয়াছে; যত রকম ফরয কাজ ছিল সমস্তই নির্ধারিত হইয়া গিয়াছে। তোমরা পরিষ্কার সোজা পথে চালিত হইয়াছ। এখন তোমরা পথ ভুলিয়া যেন এদিক-ওদিক বিপথগামী না হইয়া যাও। তিনি তাহার এক হাত অন্য হাতের উপর রাখিয়া বলিলেনঃ দেখ, তোমরা প্রস্তরাঘাতের আয়াতটি ভুলিয়া যাইও না। কেহ যেন না বলে, আমরা আল্লাহর কিতাবে প্রস্তরাঘাতের আয়াত দেখিতেছি না। দেখ আল্লাহর রাসূল প্রস্তরাঘাত করিয়াছেন। ঐ আল্লাহর কসম, যাহার হাতে আমার প্রাণ রহিয়াছে, যদি মানুষ এ কথা না বলিত যে, উমর আল্লাহর কিতাবে অতিরিক্ত করিয়াছে তাহা হইলে আমি (الشَّيْخُ وَالشَّيْخَةُ فَارْجُمُوهُمَا الْبَتَّةَ) (অর্থাৎ যখন বিবাহিত পুরুষ অথবা নারী ব্যভিচার করে তবে তাহদেরকে প্রস্তরাঘাত কর) আয়াতটি কুরআনে লিখাইয়া দিতাম। আমরা এই আয়াত পাঠ করিয়াছি। অতঃপর উহার তিলাওয়াত রহিত হইয়া গিয়াছে (কিন্তু ইহার হুকুম কিয়ামত পর্যন্ত থাকিবে)। সাঈদ বলেন, অতঃপর যিলহজ্জ মাস শেষ না হইতেই উমর (রাঃ) নিহত হইলেন।

Previous section
Page 1 of 4
Next section