Muwatta Malik
Mauquf Sahih
1537

রেওয়ায়ত ১. সায়িব ইবন ইয়াযীদ (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তাহাকে সংবাদ দেওয়া হইয়াছে, উমর (রাঃ) তাহাদের নিকট আসিয়া বলিলেন, আমি অমুকের (উমর-তনয় উবায়দুল্লাহর) মুখ হইতে মদের গন্ধ পাইলাম। সে বলে, আমি আঙ্গুরের রস পান করিয়াছি। আমি বলিলাম, যদি উহাতে মাদকতা থাকে তাহা হইলে শাস্তি দিব। অতঃপর উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) তাহাকে পূর্ণ শাস্তি প্রদান করিলেন।

Mauquf Daif
1538

রেওয়ায়ত ২. সওর ইবনে যাইদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত আছে, উমর (রাঃ) মদ্য পানের শাস্তির ব্যাপারে সাহাবীদের নিকট পরামর্শ চাহিয়াছিলেন। আলী (রাঃ) বলিলেন, আমার মতে বেত্ৰাঘাত লাগান যাইতে পারে। কেননা মানুষ মদ্য পান করিয়া মাতাল অবস্থায় অকথ্য কথা বলিবে বা কোন গালিই দিয়া বলিবে। অতঃপর উমর (রাঃ) মদ্য পানের শাস্তি আশি বেত্ৰাঘাত নির্ধারিত করিলেন।

Mauquf Daif
1539

রেওয়ায়ত ৩. ইবন শিহাবকে প্রশ্ন করা হইল, যদি কোন দাস মদ্য পান করে তবে তাহার শাস্তি কি? তিনি বলিলেন, আমি জানি দাসের শাস্তি স্বাধীন লোকের অর্ধেক। আর উমর ইবনে খাত্তাব, উসমান ইবন আফফান ও আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) মদ্য পানের জন্য নিজেদের দাসদেরকে অর্ধেক শাস্তি দিয়াছিলেন।

Maqtu Sahih
1540

রেওয়ায়ত ৪. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, সাঈদ ইবন মুসায়্যাব বলিতেন, হদ্দ বা নির্ধারিত শাস্তি ব্যতীত এমন কোন গুনাহ নাই যাহা আল্লাহ ক্ষমা করিতে ইচ্ছা করেন না। মালিক (রহঃ) বলেন, আমাদের মতে এই আদেশ ঐ মদের বেলায় প্রযোজ্য, যে মদের মধ্যে মাদকতা রহিয়াছে, পানকারী মাতাল হউক বা না হউক।

Sahih
1541

রেওয়ায়ত ৫. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন যুদ্ধে ভাষণ দান করিতেছিলেন। আমিও উহা শ্রবণের নিমিত্ত সেই দিকে রওয়ানা হইলাম। কিন্তু আমার তথায় উপস্থিত হওয়ার পূর্বেই তিনি ভাষণ শেষ করিয়া ফেলিলেন। আমি অন্যান্য লোকের নিকট জিজ্ঞাসা করিলাম, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলিয়াছেন? তাহারা বলিল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লাউয়ের খোল এবং বাহিরে আলকাতরা মাখা পাত্রে নবীয প্রস্তুত করিতে নিষেধ করিয়াছেন।

Sahih
1542

রেওয়ায়ত ৬. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তুস্ব (লাউয়ের খোল) ও বহিরাংশে আলকাতরা মাখা পাত্রে নবীয প্রস্তুত করিতে নিষেধ করিয়াছেন।

Sahih Lighairihi
1543

রেওয়ায়ত ৭. আতা ইবন ইয়াসার (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাঁচা ও পাকা খেজুর একত্রে ভিজাইয়া রাখতেন এবং আঙ্গুর ও খেজুর একত্রে ভিজাইয়া রাখতে নিষেধ করিয়াছেন। কেননা ইহাতে সত্বর মাদকতা আসার সন্দেহ রহিয়াছে।

Sahih
1544

রেওয়ায়ত ৮. আবু কাতাদা আনসারী হইতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আঙ্গুর ও খেজুর মিলাইয়া নবীয তৈরি করিয়া পান করিতে নিষেধ করিয়াছেন। মালিক (রহঃ) বলেন, আমাদের এতদঞ্চলের আলিমগণ ইহাকে মাকরূহ মনে করেন। কেননা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহা নিষেধ করিয়াছেন।

Sahih
1545

রেওয়ায়ত ৯. উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলিয়াছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট মধু দ্বারা প্রস্তুত নবীয সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হইলে তিনি বলিলেন, যে পানীয় মাদকতা আনয়ন করে তাহাই হারাম।

Sahih Lighairihi
1546

রেওয়ায়ত ১০. আতা ইবন ইয়াসার (রহঃ) হইতে বর্ণিত, সুবায়রা (জোয়ার হইতে প্রস্তুত) শরাব সম্বন্ধে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কেহ প্রশ্ন করিলে তিনি বলিলেন, উহাতে কোন উপকারিতা নাই। তিনি উহা পান করিতে নিষেধ করিয়াছেন।

Previous section
Page 1 of 2
Next section