Muwatta Malik
Mauquf Sahih
1497

রেওয়ায়ত ৪. নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) তাহার দুইজন ক্রীতদাসীকে মুদাব্বারা করিয়াছিলেন, অতঃপর তিনি উভয়ের সহিত মিলিত হইতেন অথচ উহারা উভয়ে ছিল মুদাব্বারা।

Maqtu Sahih
1498

রেওয়ায়ত ৫. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বলিতেন, কোন ব্যক্তি নিজ ক্রীতদাসীকে মুদাব্বারা করিলে তাহার জন্য ইহার সহিত সঙ্গম করা জায়েয আছে। কিন্তু উহাকে বিক্রয় করিতে পারিবে না এবং হেবাও (দান) করিতে পারবে না; আর মুদাব্বারার সন্তান মুদাকারার মতো হইবে (উহার বিক্রয় এবং দান জায়েয হইবে না)।

Maqtu Daif
1499

রেওয়ায়ত ৮. মালিক (রহঃ) বলেনঃ উম্মে ওয়ালাদ যদি কাহাকেও জখম করে তবে এই জখমের দীয়াত কর্তাকে নিজ মাল হইতে পরিশোধ করিতে হইবে। কিন্তু উম্মে ওয়ালাদের মূল্য হইতে জখমের দীয়াত যদি অধিক হয়, তবে কর্তার জিম্মায় উহার মূল্যের অধিক দেওয়া জরুরী হইবে না। কারণ ক্রীতদাস এবং দাসীর কর্তা উহাদের একজন কর্তৃক কাহাকেও জখম করার দরুন যদি দাস বা দাসীকে জখমী ব্যক্তির নিকট সোপর্দ করিয়া দেয় তবে ইহার অতিরিক্ত তাহার উপর আর কিছু জরুরী হইবে না। জখমের দীয়্যত বেশি হইয়া থাকিলেও (অতিরিক্ত দীয়্যতের জন্য) কর্তা উম্মে ওয়ালাদকে জখমী ব্যক্তির নিকট সোপর্দ করিতে পারিবে না, ইহাই নিয়ম। (উম্মে ওয়ালাদকে বিক্রি করা, দান করা জায়েয নহে), কেননা, যখন সে উম্মে ওয়ালাদের মূল্য দিয়া দিল, তবে যেন সে উম্মে ওয়ালাদকেই সোপর্দ করিয়া দিল, তাহার উপর ইহার অধিক কিছু জরুরী নহে)। ইহাই সুন্দরতম যাহা (এই বিষয়ে) আমি শুনিয়াছি। কর্তার জিম্মায় উম্মে ওয়ালাদের মূল্যের অধিক কোন খেসারত বহন করার দায়িত্ব নাই।