Sunan Abu Dawud
Sahih
4159

। আব্দুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সব সময় চুল আঁচড়াতে নিষেধ করেছে, তবে একদিন পরপর (আঁচড়ালে দোষ নেই)।[1] সহীহ।

Sahih
4160

। আব্দুল্লাহ ইবনু বুরাইদাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এক সাহাবী মিসরে অবস্থানরত ফাদালাহ ইবনু উবাইদ (রাঃ)-এর নিটক পৌঁছেন। অতঃপর তিনি বলেন, আমি কেবল আপনার সাথে সাক্ষাৎ করতে আসিনি, বরং আমি এবং আপনি যে হাদীসটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট শুনেছি, আশা করি এ সম্পর্কে আপনার কিছু জানা আছে। তিনি বললেন, তা কোন্ বিষয়ে? তিনি বললেন, এরূপ এরূপ। তিনি বললেন, আপনি একটি স্থানের নেতা, অথচ আপনার মাথার চুল উষ্কখুষ্ক দেখছি? সাহাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে মাত্রাতিরিক্ত জাঁকজমক দেখতে নিষেধ করেছেন। তিনি (ফাদালাহ) বলেন, আপনার পায়ের জুতা দেখছি না কেন? তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে মাঝে মধ্যে খালি পায়ে চলার আদেশ দিতেন।[1] সহীহ।

Sahih
4161

। আবূ উমামাহ সালাবাহ আল-আনসারী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ তাঁর সামনে দুনিয়াদারী সম্পর্কে আলোচনা করেছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা কি শুনতে পাও না, তোমরা কি শুনতে পাও না যে, পোশাক-পরিচ্ছদের নম্রতা প্রকাশ ঈমানের অঙ্গ, পোশাক-পরিচ্ছদে নম্রতা প্রকাশ ঈমানের অঙ্গ অর্থাৎ পোশাক-পরিচ্ছদে বাবুগিরী প্রদর্শন না করা।[1] সহীহ।

Sahih
4162

। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একটি উত্তম আতরদানি ছিলো, তিনি তা থেকে সুগন্ধি ব্যবহার করতেন।[1] সহীহ।

Hasan Sahih
4163

। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার মাথায় চুল আছে সে যেন এর যত্ন নেয়।[1] হাসান সহীহ।

Daif
4164

। ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসির (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, কারীমাহ বিনুত হাম্মাম (রহঃ) আমাকে বর্ণনা করেন যে, এক মহিলা মেহেদীর খেযাব লাগানো সম্পর্কে আয়িশাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, এটা ব্যবহারে কোনো দোষ নেই; তবে আমি তা অপছন্দ করি। কারণ আমার প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটির গন্ধ অপছন্দ করতেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ মাথার চুলের খেযাব।[1] দুর্বল।

Daif
4165

। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। ‘উতবাহর কন্যা হিন্দ (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর নবী! আমার বাই‘আত নিন। তিনি বলেনঃ তুমি তোমার দু’ হাতের তালু পরিবর্তন না করা পর্যন্ত তোমাকে বাই‘আত করাবো না। সে দু’টি যেন হিংস্র প্রাণীর থাবার ন্যায়।[1] দুর্বল।

Hasan
4166

। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক মহিলা পর্দার আড়াল থেকে একটি কিতাব হাতে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দিকে বাড়িয়ে দিলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হাত না বাড়িয়ে বললেনঃ আমি বুঝতে পারছি না এটা কোনো পুরুষের হাত না কি নারীর হাত? সে বললো, বরং নারীর হাত। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তুমি মহিলা হলে অবশ্যই তোমার নখগুলো মেহেদীর রঙ দ্বারা রঞ্জিত করতে।[1] হাসান।

Sahih
4167

। হুমাইদ ইবনু আব্দুর রাহমান (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। মু‘আবিয়াহ (রাঃ) তার রাজত্বকালে হজ (হজ্জ) উপলক্ষে এক সমাবেশে মিম্বারে দাঁড়ালেন। তিনি তার দেহরক্ষী পুলিশের হাত থেকে এক গুচ্ছ কৃত্রিম চুল নিজ হাতে নিয়ে সবাইকে সম্বোধন করে বললেন, হে মদীনাবাসী! তোমাদের আলেমগণ কোথায়? আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এটা ব্যবহার করতে নিষেধ করতে শুনেছি এবং আমি তাঁকে বলতে শুনেছি যে, বনী ইসরাঈলের নারীরা এ কৃত্রিম চুল ব্যবহারে অভ্যস্ত হওয়ায় ধ্বংস হয়েছে।[1] সহীহ।

Sahih
4168

। আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিসাপ দিয়েছেন ঐ সব নারীদেরকে যারা পরচুলা তৈরী করে, যারা তা ব্যবহার করে, যারা দেহে উল্কি লাগিয়ে দেয় এবং যারা উল্কি লাগায়।[1] সহীহ।

Previous section
Page 1 of 6
Next section