। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রামাযানের (রাত্র জেগে) ইবাদাত-বন্দিগীতে মাশগুল থাকতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উৎসাহিত করতেন, তবে সেটাকে বাধ্যতামূলক হিসেবে নির্দেশ দেননি। তিনি বলতেনঃ ঈমানের সাথে এবং সাওয়াবের আশা করে যে লোক রামাযান মাসে (রাতে ইবাদাতে) দণ্ডায়মান হবে সে লোকের পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করা হবে। এ নিয়মই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যু পর্যন্ত চালু ছিল। এ বিষয়টি আবু বাকর (রাঃ)-এর খিলাফাত এবং উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর খিলাফাতের প্রথম দিকেও এমনই ছিল। – সহীহ, সহীহ আবু দাউদ (১২৪১), নাসা-ঈ, ইমাম বুখারীর মতে মৃত্যু পর্যন্ত...... এই ব্যাক্যাংশটি যুহরী হাদীসে সংযোগ করেছেন। আইশা (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। যুহরী-উরওয়া হতে, তিনি আইশা (রাঃ)-হতে এই সূত্রেও এই হাদীসটি বর্ণিত আছে। এই হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
Jami At TirmidhiHadith 808
808
Sahih+3
SahihAhmad Muhammad Shakir
SahihAl-Albani