। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মাগরিবের নামায আদায় করতেন, তারপর নিজের গোত্রে গিয়ে তাদের ইমামতি করতেন। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৭৫৬), বুখারী ও মুসলিম আরো পূর্ণরূপে। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। আমাদের সঙ্গী ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তারা বলেছেন, কোন ব্যক্তি ফরয নামায আদায় করার পর আবার ইমাম হয়ে সে যদি ঐ নামায আদায় করায় তবে তার পিছনে ইকতিদাকারীদের নামায আদায় হয়ে যাবে। তারা উপরের হাদীস নিজেদের দলীল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। এটা একটা সহীহ হাদীস। আর এটা বেশ কয়েকটি সূত্রে জাবির (রাঃ)-এর হতে বর্ণিত হয়েছে। “আবু দারদা (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হলো, এক ব্যক্তি মসজিদে গেল, লোকেরা তখন আসরের নামায আদায় করছিল। সে ধারণা করলো তারা যুহরের নামায আদায় করছে। সে জামা'আতে অন্তর্ভুক্ত হয়ে নামায আদায় করলো (তার নামাযের হুকুম কি)। তিনি বলেন, তার নামায জায়িয হয়েছে।” কুফাবাসীদের একদল বলেছেন, একদল লোক ইমামের পিছনে এসে ইকতিদা করলো। সে তখন আসরের নামায আদায় করছিল। তারা মনে করলো, সে (ইমাম) যুহরের নামায আদায় করছে। সে তাদের নামায আদায় করালো এবং তারাও তার পিছনে ইকতিদা করলো। এ অবস্থায় তাদের নামায ফাসিদ (নষ্ট) হয়ে যাবে। কেননা ইমাম ও মুক্তাদীদের নিয়াতের মধ্যে প্রভেদ সৃষ্টি হয়ে গেছে।
Jami At TirmidhiHadith 583
583
Sahih+3
SahihAhmad Muhammad Shakir
SahihAl-Albani