Jami At Tirmidhi
364
Sahih+2

। শাবী (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, একদা মুগীরা ইবনু শু’বা (রাঃ) আমাদের নামায আদায় করালেন। তিনি দ্বিতীয় রাকআতে (ভুলে) দাড়িয়ে গেলেন। মুক্তাদীগণ তাকে শুনিয়ে সুবহানাল্লাহ' বলল। তিনিও তাদের সাথে সুবহানাল্লাহ বললেন। নামায শেষ করে তিনি সালাম ফিরালেন তারপর তিনি বসা অবস্থায় সাহু (ভুলের) সিজদা করলেন। অতঃপর তাদেরকে বললেন, (নামাযে ভুল হওয়ায়) তিনি (মুগীরা) যেরূপ করলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে নিয়ে ঠিক এরূপই করেছেন -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২০৮)। এ অনুচ্ছেদে উকবাহ ইবনু আমির, সা’দ ও আবদুল্লাহ ইবনু বুহাইনা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ মুগীরা (রাঃ)-এর হাদীসটি আরো কয়েকটি সূত্রে বর্ণনা হয়েছে। কিছু বিশেষজ্ঞ আবদুল্লাহ ইবনু আবী লাইলার স্মরণশক্তির সমালোচনা করেছেন। ইমাম আহমাদ বলেছেন, ইবনু আবী লাইলার হাদীস দলীল হিসাবে গ্রহণ করা যায় না। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল (বুখারী) বলেছেন, ইবনু আবী লাইলা একজন সত্যবাদী লোক। কিন্তু আমি তার নিকট হতে হাদীস বর্ণনা করি না। কেননা তিনি সহীহ এবং যঈফ হাদীসের মধ্যে কোন ভেদাভেদ করেন না। এ ধরনের যে কোন ব্যক্তির নিকট হতে আমি হাদীস বর্ণনা করি না। সুফিয়ান সাওরীও তার সনদ পরম্পরায় মুগীরার হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এ সূত্রের একজন রাবী জাবির আল-জুকীকে কিছু হাদীস বিশারদ জ'ঈফ বলেছেন। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ ও আবদুর রহমান ইবনু মাহদী তাকে বাদ দিয়েছেন। আলিমগণ বলেছেন, যদি কোন ব্যক্তি (ভুলে) দ্বিতীয় রাকআতে না বসেই দাড়িয়ে যায় তবে সে বাকী নামায আদায় করতে থাকবে এবং পরে দুটো সিজদা করে নিবে। একদল বলেছেন, সালাম ফিরানোর আগে সিজদা করবে। অন্যদল বলেছেন, সালাম ফিরানোর পর সিজদা করবে। যারা সালাম ফিরানোর আগে সাজদা করার মত দিয়েছেন তাদের হাদিস বেশি সহীহ। তাদের পক্ষের হাদীসটি যুহরী ও ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

SahihAhmad Muhammad Shakir
SahihAl-Albani