। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যখন রাতের খাবার পরিবেশন করা হয় এবং নামাযের ইকামাতও দেওয়া হয় তখন আগে খাবার খেয়ে নাও। --সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯৩৩), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ, ইবনু উমার, সালামা ইবনুল আকওয়া ও উম্মু সালামা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আনাসের হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবা যেমন, আবু বাকর, উমার ও ইবনু উমার (রাঃ) এ হাদীস অনুসারে আমল করেছেন। ইমাম আহমাদ এবং ইসহাকও একই রকম মত দিয়েছেন। তারা উভয়ে বলেছেনঃ যদি নামাযের জামাআতও হারাবার আশংকা থাকে তবুও আগে খাবার খেয়ে নিবে। ওয়াকী (রহঃ) এ হাদীসের ব্যাপারে বলেছেন, যদি খাবার নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে তবে প্রথমে খেয়ে নিবে। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিছু সাহাবা উল্লেখিত হাদীসের এই মর্ম গ্রহণ করেছেন যে, মন যদি কোন জিনিস নিয়ে চিন্তিত থাকে তবে তখন নামায আদায় করবে না। এই মতের অনুসরণ করাই উত্তম। খাবারের ব্যাপারটাও একই রকম, সুতরাং আহারই আগে খেয়ে নিবে। আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, “মনের কোন চিন্তা বা ব্যস্ততা থাকলে আমরা নামাযে দাড়াই না।”
Jami At TirmidhiHadith 353
353
Sahih+3
SahihAhmad Muhammad Shakir
SahihAl-Albani