। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, যার নিকটে তার রবের (প্রতিপালকের) ঘর (কাব্য) যিয়ারাতের জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদ আছে অথচ হাজ্জ করে না, অথবা এতটা সম্পদ আছে যাতে তার উপর যাকাত ওয়াজিব হয় কিন্তু যাকাত আদায় করে না, সে মৃত্যুর সময় দুনিয়াতে আবার ফিরে আসার আরজ করবে। তখন এক ব্যক্তি বললেন, হে ইবনু আব্বাস আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করুন, দুনিয়াতে ফিরে আসার আর্জি তো শুধু কাফিররাই করবে। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বললেন, আমি এখনই তোমাকে কুরআন পাঠ করে শুনাচ্ছিঃ “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্তুতি যেন তোমাদেরকে আল্লাহ তা'আলার স্মরণ থেকে গাফিল না করে, যারা গাফিল হবে তারাই তো ক্ষতিগ্রস্ত। আমি তোমাদেরকে যে জীবিকা দিয়েছি, তা হতে খরচ কর তোমাদের কারো মৃত্যু আসার পূর্বে। অন্যথায় (মৃত্যু আসলে) সে বলবে, হে আমার রব। আমাকে তুমি আরো কিছুকালের জন্য ছাড় দিলে আমি দান-খাইরাত করতাম এবং সৎকর্মপরায়ণ লোকদের অন্তর্ভুক্ত হতাম। কিন্তু যখন কারো নিৰ্দ্ধারিতকাল (মৃত্যু) চলে আসবে, তখন আল্লাহ তা'আলা তাকে কিছুই ছাড় দিবেন না। তোমরা যা কর আল্লাহ তা'আলা সে প্রসঙ্গে পূর্ণ অবগত" (সূরাঃ আল-মুনাফিকুন- ৯-১১)। লোকটি বলল, কি পরিমাণ সম্পদে যাকাত ওয়াজিব হয়? তিনি বললেন, দুই শত দিরহাম বা ততোধিক মালে। সে বলল, কিসে হাজ্জ ওয়াজিব হয়? তিনি বললেনঃ পাথেয় ও যানবাহন থাকলে। সনদ দুর্বল আবদ ইবনু হুমাইদ-আবদুর রাযুযাক হতে তিনি সুফিয়ান সাওরী হতে তিনি ইয়াহইয়া ইবনু আবূ হাইয়্যা হতে তিনি দাহহাক হতে তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের মতই বর্ণনা করেছেন। ইবনু উয়াইনা প্রমুখ এ হাদীস আবূ জানাব হতে তিনি দাহহাক হতে তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে তার বিবৃতরূপে একই রকম বর্ণনা করেছেন এবং মারফু হিসেবে বর্ণনা করেননি। আবদুর রাযযাকের রিওয়ায়াতের তুলনায় এটি (মাওকুফ বর্ণনাটি) অনেক বেশি সহীহ। আবূ জানাবের নাম ইয়াহইয়া ইবনু আবূ হাইয়্যা এবং তিনি হাদীসশাস্ত্রে তেমন মজবুত নন।
Jami At TirmidhiHadith 3316
3316
Daif Isnaad+2
Daif IsnaadAhmad Muhammad Shakir
Daif IsnaadAl-Albani