। মুগীরাহ ইবনু শুবাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার পক্ষ হতে যে লোক কোন হাদীস বর্ণনা করে অথচ সে জানে যে, তা মিথ্যা, সে মিথ্যাবাদীদের একজন। সহীহঃ আয-যঈফার ভূমিকা (১/১২), মুসলিম। আলী ইবনু আবী তালিব ও সামুরাহ (রাযিঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীসটি আল-হাকাম-আবদুর রাহমান ইবনু আবূ লাইলা হতে, তিনি সামুরা (রাযিঃ) হতে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সূত্রে শুবাহ (রাহঃ) বর্ণনা করেছেন। আমাশ ও ইবনু আবী লাইলা (রহঃ) আল-হাকাম হতে, তিনি 'আবদুর রাহমান ইবনু আবী লাইলা হতে, তিনি আলী (রাযিঃ) হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন। সামুরাহ (রাযিঃ)-এর সূত্রে 'আবদুর রাহমান ইবনু আবী লাইলা বর্ণিত হাদীসটি মুহাদীসগণের মতে অনেক বেশি সহীহ। আবু ঈসা বলেন, আমি আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবনু আব্দুর রহমান (রহঃ)-কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীস “যে ব্যক্তি আমার পক্ষ হতে কোন হাদীস বর্ণনা করে অথচ সে জানে যে, তা মিথ্যা, সে মিথ্যাবাদীদের একজন” সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম। আমি বললাম, যদি কোন ব্যক্তি হাদীস বর্ণনা করে এবং জানে যে, এর সনদ ক্রটিপূর্ণ তবে সে কি এ হাদীস মুতাবিক মিথ্যুক বলে পরিগণিত হবে? অথবা যদি কোন ব্যক্তি মুরসাল হাদীসকে মুসনাদ হিসেবে বর্ণনা করে কিংবা সনদে উল্টাপাল্টা করে তাহলে সেও কি উক্ত হাদীসের আওতাভুক্ত বলে পরিগণিত হবে? আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রাহমান বলেন, না, বরং এ হাদীসের তাৎপর্য হলঃ যে এমন হাদীস বর্ণনা করে, যে সম্পর্কে সে জানে না যে, এটা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীস কি-না। আমি আশংকা করি যে, সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উক্ত হাদীসের আওতাভুক্ত হবে।
Jami At TirmidhiHadith 2662
2662
Sahih+3
SahihAhmad Muhammad Shakir
DaifAl-Albani