Jami At Tirmidhi
235
Sahih+2

আওস ইবনু যাম'আজ (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আবু মাসউদ আনসারী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কুরাআন বেশি ভাল পড়তে জানে সে লোকদের ইমামতি করবে। যদি কুর'আন পাঠে সবাই সমান হয়, তাহলে যে ব্যক্তি বেশি হাদীস (সুন্নাহ) জানে। যদি সুন্নাহর বেলায়ও সবাই সমান হয়, তাহলে যে ব্যক্তি প্রথম হিজরাত করেছে। যদি এ ব্যাপারেও সবাই সমান হয়, তাহলে যে ব্যক্তি বয়সে বড়। কোন ব্যক্তি যেন অন্যের অধিকার ও প্রভাবিত এলাকায় তার সম্মতি ছাড়া ইমামতি না করে এবং তার অনুমতি ছাড়া তার বাড়িতে তার নির্দিষ্ট আসনে না বসে। মাহমূদ বলেন, ইবনু নুমাইর তার হাদীসে (আকসারুহুম সিন্নান-এর স্থলে) আকদামুহুম সিন্নান বর্ণনা করেছেন (যে ব্যক্তি বয়জ্যেষ্ঠ)। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৯৮০), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদে আবু সাঈদ, আনাস ইবনু মালিক, মালিক ইবনু হুয়াইরিস ও আমর ইবনু সালামাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু মাসউদের হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীসের আলোকে বিদ্বানগণ বলেছেন, যে ব্যক্তি কুরআন ও হাদীসে রাসূলে বেশি জ্ঞানী, সে-ই লোকদের ইমামতি করার বেশি হকদার। তারা আরো বলেছেন, বাড়ির মালিক ইমামতি করার ব্যাপারে বেশি হকদার। কিছু বিশেষজ্ঞ বলেছেন, বাড়ির মালিকের সম্মতি বলে যে কেউ ইমামতি করতে পারে। কিন্তু অনেকে এটা পছন্দ করেননি। তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণীঃ “অন্যের অধিকার ও প্রভাবিত এলাকায় কেউ যেন ইমামতি না করে এবং তার সম্মানের আসনে তার সম্মতি ছাড়া না বসে” –এখানে বসার সম্মতি দিলে তার মধ্যে ইমামতি করার আজ্ঞাও নিহিত রয়েছে। অনুমতি সাপেক্ষে ইমামতি করতেও দোষ নেই।

SahihAhmad Muhammad Shakir
SahihAl-Albani