মুহাম্মাদ ইবন আবদুল আলা (রহঃ) ... যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, উমরা ওয়ারিসদের জন্য।
আমর ইবন আলী (রহঃ) ... যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উমরা ওয়ারিসদের জন্য।
মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন ইয়াযীদ (রহঃ) ... যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়ারিসদের জন্য উমরার ফয়সালা দিয়েছেন।
No translation available for this language.
মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ) ... যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন বস্তুর উমরা করে, তা ঐ ব্যক্তির হয়ে যাবে যার জন্য তা করা হয় তার হায়াত ও মওত সর্বাবস্থার জন্য। (রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, তোমরা রুকবা করো না। আর যে ব্যক্তি কোন বস্তুতে রুকবা করে, তবে তা তার বিধানমত চালু থাকবে।
যাকারিয়া ইবন ইয়াহইয়া (রহঃ) ... আবদুল্লাহ্ ইব্ন আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমরারূপে দান বৈধ (চলমান থাকবে)।
হারূন ইবন মুহাম্মাদ ইবন বাক্কার (রহঃ) ... ইব্ন আব্বাস (রাঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমরা করা বৈধ (কার্যকর)।
মুহাম্মাদ ইবন হাতিম (রহঃ) ... মাকহূল (রহঃ) তাউস (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমরা এবং রুকবাকে স্থায়ী (-রূপে কার্যকর) করেছেন।
আমর ইবন আলী (রহঃ) ... আতা (রহঃ) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে খুতবা দিতে গিয়ে বললেনঃ উমরা বৈধ (কার্যকর)।
আহমাদ ইবন সুলায়মান (রহঃ) ... আতা (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমরা এবং রুকবা করতে নিষেধ করেছেন। আমি বললামঃ রুকবা কি? তিনি বললেনঃ কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে এই বলা যে, এই বস্তু তোমার, যতদিন তুমি বেঁচে থাকবে। তবে যদি তোমরা এরূপ কর, তবে তা বৈধ (কার্যকর হবে)।