। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... ইয়ালা ইবনু উমাইয়া (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উমর ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-কে বললামঃلَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَنْ تَقْصُرُوا، مِنَ الصَّلاَةِ إِنْ خِفْتُمْ أَنْ يَفْتِنَكُمُ الَّذِينَ كَفَرُوا অর্থাৎ “যদি তোমাদের আশংকা হয় যে, কাফিরগণ তোমাদের জন্য ফিৎনা সৃষ্টি করবে তবে, সালাত সংক্ষিপ্ত করলে তোমাদের কোন দোষ নেই। (১৯ঃ ৪)” এখন তো মানুষ (কাফিরদের ফিৎনা থেকে) নিরাপদ আছে। তখন উমর (রাঃ) বললেন, আমিও সে ব্যাপারে আশ্চর্যবোধ করেছি, তুমি যে ব্যাপারে আশ্চর্যবোধ করেছ। তাই আমি সে ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তখন তিনি বলেছিলেন, এ হল একটি দান বিশেষ যা আল্লাহ তা’আলা তোমাদের প্রদান করেছেন। অতএব, তার দানকে কবুল করে নাও।
। কুতায়বা (রহঃ) ... উমাইয়্যাহ ইবনু আব্দুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ)-কে বললেন, আমরা তো বাড়ীতে অবস্থানকালীন সময়ের সালাতের উল্লেখ কুরআনে দেখতে পাই, কিন্তু সফরকালীন সালাতের উল্লেখ কুরআনে দেখতে পাই না। তখন ইবনু উমর (রাঃ) তাকে বললেন, হে আমার-ভাতিজা। নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা আমাদের-কাছে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে পাঠিয়েছেন এমতাবস্থায় যে, আমরা তখন কিছুই জানতাম না। আমরা তদ্রূপই করি যে রূপ রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে করতে দেখতাম।
। কুতায়বা (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কা থেকে মদীনা অভিমুখে বের হলেন, তিনি রাব্বুল আলামীন ব্যতীত আর কাউকে ভয় করতেন না। (এতদসত্ত্বেও) তিনি সালাত দু’রাকআতই আদায় করতেন।
। মুহাম্মদ আব্দুল আলা (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে মক্কা এবং মদীনার মধ্যে সফর করতাম, তখন আমরা আল্লাহ ব্যতীত আর কাউকে ভয় করতাম না। এতদসত্ত্বেও আমরা সালাত দু’রাকআতই আদায় করতাম।
। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... ইবনুুস সিম্ত (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উমর ইবনু খাত্তাব (রাঃ) যুল হুলায়ফাতে সালাত দু’রাকআত আদায় করতে দেখেছি। তখন আমি তাকে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, আমি তদ্রুপই করছি যেরূপ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে করতে দেখেছি।
। কুতায়বা (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে মদীনা থেকে মক্কা অভিমুখে বের হলাম। তিনি প্রত্যাবর্তন করা পর্যন্ত সর্বদাই সালাত সংক্ষিপ্তভাবে আদায় করতেন। তিনি মক্কায় দশ দিন অবস্থান করেছিলেন।
। মুহাম্মাদ ইবনু আলী (রহঃ) ... আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে এক সফরে সালাত দূ’রাকআত আদায় করলাম, আর আবূ বকর (রাঃ) ও উমর (রাঃ)-এর সাথেও (সফরে) দু’রাকআত আদায় করেছি।
। হুমায়দ ইবনু মাসআদা (রহঃ) ... উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জুমু'আর সালাত দু’রাকআত, ঈদুল ফিতরের সালাত দু’রাকআত, ঈদুল আযহার সালাত দু’রাকআত আর সফরের সালাত দু’রাকআতই পরিপূর্ণ, অসম্পূর্ণ নয়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ভাষ্য মতে।
। মুহাম্মাদ ইবনু ওয়াহব (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ভাষ্য মতে বাড়ীতে অবস্থানকালীন সালাত চার রাকআত, আর সফরকালীন সালাত দু’রাকআত, এবং শঙ্কাকালীন সময়ের সালাত এক রাকআত ফরয করা হয়েছে।
। ইয়াকুব ইবনু মাহান (রহঃ) ... ইবনু অববাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ভাষ্য মতে আল্লাহ তা'আলা বাড়ীতে অবস্থানকালীন সময়ে চার রাকআত, সফরকালীন দু’রাকআত এবং শঙ্কাকালীন এক রাকআত সালাত ফরয করেছেন।