Sahih Muslim
927.01

আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্‌ ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। হাফসাহ (রাযিঃ) উমারের জন্য (ঘাতক কর্তৃক আহত হলে) কাঁদছিলেন। তখন উমর (রাযিঃ) বললেন, হে স্নেহের কন্যা! তুমি কি জান না রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মৃত ব্যক্তিকে তার স্বজনদের কান্নাকাটির দরুন শাস্তি দেয়া হয়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০১১, ইসলামীক সেন্টার)

927.02

মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (বহঃ) ..... উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে তার প্রতি অধিক কান্নাকাটি করার দরুন কবরে 'আযাব দেয়া হয়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০১২, ইসলামীক সেন্টার)

927.03

মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে তার প্রতি অধিক কান্নাকাটি করার দরুন কবরে আযাব দেয়া হয়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন, নেই, ইসলামীক সেন্টার, নেই)

927.04

‘আলী ইবনু হুজুর আস সা’দী (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন উমর (রাযিঃ) (আততায়ীর আঘাতে) আহত হন এবং সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন। লোকেরা চিৎকার করে কান্নাকাটি শুরু করল। যখন তার জ্ঞান ফিরে এল, তিনি বললেন, তোমরা কি জান না রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন মৃত ব্যক্তিকে জীবিতদের কান্নার দরুন শাস্তি দেয়া হয়? (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০১৩ ইসলামীক সেন্টার)

927.05

আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন উমর (রাযিঃ) গুরুতরভাবে আহত হন, সুহায়ব (রাযিঃ) আক্ষেপ করে বলতে লাগলেন, আহ! ভাই উমার! উমর (রাযিঃ) তাকে বললেন, হে সুহায়ব! তোমার কি মনে নেই, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে জীবিততদের কান্নাকাটির দরুন শাস্তি দেয় হয়? (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০১৪, ইসলামীক সেন্টার)

927.06

‘আলী ইবনু হুজুর (রহঃ) ...... আবূ মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন উমার (রাযিঃ) গুরুতরভাবে আহত হন, সুহায়ব (রাযিঃ) তার গৃহ থেকে রওয়ানা হয়ে উমারের কাছে এলেন এবং তার সামনে দাড়িয়ে কাঁদতে লাগলেন। উমর (রাযিঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কেন কাঁদছ, আমার জন্য কাঁদছ? তিনি বললেন, কসম আল্লাহর। হে আমীরুল মু'মিনীন। হ্যাঁ, আপনার জন্যই কাঁদছি। 'উমার (রাযিঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! তুমি তো অবশ্যই জান রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার জন্য কান্নাকাটি করা হবে তাকে শাস্তি দেয়া হবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০১৫, ইসলামীক সেন্টার ২০২২) তিনি [আবূ মূসা (রাযিঃ)] বলেন, এরপর আমি এ কথাটি মূসা ইবনু তলহার কাছে বললাম। তিনি বললেন, আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বলতেন, যাদের আযাবের কথা বলা হয়েছে, তারা ছিল ইয়াহুদী সম্প্রদায়।

927.07

আমর আন নাকিদ (রহঃ) ... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাযিঃ) যখন আহত হলেন, হাফসাহ (রাযিঃ) সশব্দে কাঁদতে লাগলেন। তখন উমর (রাযিঃ) বললেন, ওগো হাফসাহু তুমি কি শোননি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যার জন্য উচ্চস্বরে ক্ৰন্দন করা হয় তাকে শাস্তি দেয়া হবে? তার প্রতি সুহায়ব (রাযিঃ)-ও কাঁদতে থাকলে উমর (রাযিঃ) তাকেও বললেন, হে সুহায়ব! তুমি কি জান না যার জন্য চিৎকার করে বান্নাকাটি করা হয় তাকে আযাব দেয়া হবে? (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২০১৬, ইসলামীক সেন্টার)