ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। এক রাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে সালাত আদায় করলেন। তার সাথে কিছু সংখ্যক লোকও সালাত আদায় করল। পরের রাতেও তিনি মসজিদে সালাত আদায় করলেন। লোকজন সংখ্যায় অনেক বেশী হয়ে গেল। অতঃপর তৃতীয় কিংবা চতুর্থ রাতেও অনেক লোক এসে একত্ৰ হ’ল। কিন্তু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আর তাদের সাথে যোগ দিলেন না। সকাল বেলা তিনি সবাইকে বললেনঃ (গত রাতে) তোমরা যা করেছ তা আমি দেখেছি। তবে শুধু এ আশঙ্কায় আমি তোমাদের সাথে যোগদান করিনি যে, তোমাদের ওপর তা ফারয (ফরয) করে দেয়া হতে পারে। তিনি (আয়িশাহ) বলেছেনঃ ঘটনাটি রমযান মাসে সংঘটিত হয়েছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৫৩, ইসলামীক সেন্টার)
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। এক রাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাড়ী থেকে মসজিদে গিয়ে সালাত আদায় করলেন, অনেক লোকও তার সাথে সালাত আদায় করল। পরদিন লোকজন এ ব্যাপার নিয়ে আলোচনা করল। সুতরাং ঐ দিন রাতে আরো বেশী লোক (মসজিদে) একত্রিত হ’ল। ঐ দ্বিতীয় রাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে তাদের মাঝে উপস্থিত হলেন। সবাই তার সাথে সালাত আদায় করল। পরদিনও লোকজন এ ব্যাপারটি নিয়ে আলোচনা করল। সুতরাং তৃতীয় রাতে লোকের সংখ্যা আরো বেড়ে গেল। রাতেও তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মসজিদে তাদের মাঝে গেলেন। লোকজন তার সাথে সালাত আদায় করল। কিন্তু চতুর্থ রাতে লোক সংখ্যা এত বেশী হ'ল যে, মসজিদে জায়গা সংকুলান হ’ল না। কিন্তু রাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে আসলেন না। তাদের মধ্য থেকে কিছু সংখ্যক লোক সালাত বলে ডাকতে শুরু করল। কিন্তু তিনি ঐ রাতে আর বের হলেন না। বরং ফজরের ওয়াক্তে বের হলেন। ফজরের সালাত শেষ করে তিনি লোকদের দিকে ঘুরলেন, তাশাহহুদ পড়লেন, তারপর "আম্মাবাদ" বলে শুরু করলেন। তিনি বললেনঃ গতরাতে তোমাদের ব্যাপারটা আমার অজানা নয়। কিন্তু আমি আশঙ্কা করেছিলাম যে, রাতের এ সালাতটি তোমাদের জন্য ফারয (ফরয) করে দেয়া হতে পারে। আর তোমরা তা পালন করতে অক্ষম হয়ে পড়বে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৫৪, ইসলামীক সেন্টার)