আহমাদ ইবনু জাওওয়াস আল হানাফী (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আমার কিছু পাওনা ছিল। তিনি আমাকে তা পরিশোধ করে দিলেন এবং অধিক পরিমাণেই দিলেন। আমি একদিন মসজিদে তার কাছে গেলে তিনি আমাকে বললেনঃ দু’রাকাআত সালাত আদায় করে নাও। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৫২৬, ইসলামীক সেন্টার)
উবায়দুল্লাহ ইবনু মু'আয (রহঃ) ... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট থেকে একটি উট কিনে ছিলেন। অতঃপর তিনি মাদীনায় আগমন করলে আমাকে মসজিদে এসে দু' রাকাআত সালাত আদায় করতে বললেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৫২৭, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক যুদ্ধে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে গিয়েছিলাম। (ফিরে আসার সময়) আমার উটটি বেশ দেরী করল। সেটি বেশ ক্লান্ত-শ্রান্তও হয়ে পড়েছিল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার আগেই এসে পৌছেছিলেন। আর আমি পরদিন সকালে পৌঁছলাম। আমি মসজিদে এবং সেখানে মসজিদের দরজায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখতে পেলাম। তিনি আমাকে লক্ষ্য করে বললেনঃ তুমি এখন এসে পৌছলে। আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ এখন উটটি রেখে মসজিদে দু' রাকাআত সালাত আদায় করে নাও। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ বলেছেনঃ এরপর আমি মসজিদে গিয়ে সালাত আদায় করে আসলাম। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৫২৮, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আত্বা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) আমাকে অবহিত করেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময়কালে আমি একটি মহিলাকে বিয়ে করলাম। পরে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তিনি বললেন, হে জাবির! তুমি বিয়ে করেছো? আমি বললাম, জি হ্যাঁ। তিনি বললেন, কুমারী না বিধবা? আমি বললাম, বিধবা। তিনি বললেন, তবে কুমারী নয় কেন? তুমি তার সঙ্গে সোহাগ-স্ফূর্তি করতে পারতে। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার কয়েকটি (অবিবাহিতা) বোন রয়েছে তাই আমার আশংকা হল যে, বধূ (কুমারী হলে সে) আমার ও বোনদের মাঝে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় কিনা। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তবে তা-ই ঠিক। মহিলাকে বিয়ে করা হয় তার দীনদারীর কারণে, তার সম্পদের কারণে ও তার রূপ-লাবণ্যের কারণে। তুমি ধাৰ্মিকাকে পেয়ে ভাগ্যবান হও, (যদি এটা না কর তবে) তোমার দু'হাত ধূলিমাখা হোক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫০১, ইসলামীক সেন্টার)
উবায়দুল্লাহ ইবনু মু'আয (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জনৈকা মহিলাকে বিয়ে করলাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, তুমি কি বিয়ে করেছো? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, কোন কুমারীকে না বিধবাকে? আমি বললাম, একটি বিধবাকে। তিনি বললেন, তবে কুমারী ও তার আমোদ-স্ফূর্তি হতে তুমি কতদূরে? (মধ্যবর্তী) রাবী শুবাহ্ (রহঃ) বলেন, পরে আমি আমর ইবনু দীনার (রহঃ) এর নিকট এ হাদীস উল্লেখ করলে তিনি বললেন, আমিও তো জাবির (রাযিঃ) এর নিকট তা শুনেছি। তিনি তো বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেনঃ তবে কোন কিশোর (তরুণী) কে কেন নয়— যে তোমার সঙ্গে হাসি-তামাসা করত, তুমিও তার সঙ্গে আমোদ-স্ফূর্তি করতে? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫০২, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও আবূ রবী' আয যাহরানী (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, আবদুল্লাহ (রাযিঃ) মৃত্যু (শাহাদাত) বরণ করলেন এবং নয়টি (কিংবা তিনি বলেছেন, সাতটি) কন্যা রেখে গেলেন। পরে আমি (জাবির) এক বিধবা মহিলাকে বিয়ে করলাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, হে জাবির! তুমি বিয়ে করেছো? আমি বললামঃ হ্যাঁ। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তা কুমারী না বিধবা? আমি বললামঃ বরং বিধবা হে আল্লাহর রসূল! তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে তা কোন তরুণী (কুমারী) কেন নয় যে, (ইয়াহইয়া রিওয়ায়াতে) তুমি তার সঙ্গে আমোদ-স্ফূর্তি করবে, সেও তোমার সাথে ক্রীড়া-কৌতুক করবে কিংবা তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছিলেন, তুমি তার সঙ্গে হাস্য-রস করতে, সেও তোমার সঙ্গে হাস্য-রস করত। জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি তাকে বললাম, (আমার পিতা) আবদুল্লাহ নয়টি (কিংবা সাতটি) মেয়ে রেখে মৃত্যুবরণ করেছেন এবং আমি তাদের মাঝে তাদের মতো একজনকে নিয়ে আসা অপছন্দ করলাম। তাই আমি এমন একটি মহিলাকে নিয়ে আসা পছন্দ করলাম যে তাদের দেখাশুনা করবে এবং তাদের শুধরে দিবে ও গড়ে তুলবে। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে আল্লাহ তোমাকে বারাকাত দান করুন। তিনি আমাকে (এ ধরনের) কোন উত্তম কথা বললেন। আবূ রবী (রহঃ) এর রিওয়ায়াতে রয়েছে- "তুমি তার সঙ্গে আমোদ-স্ফূর্তি করবে ও তার সঙ্গে হাস্যরস করবে, সেও তোমার সঙ্গে হাস্য রস করবে।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫০৩, ইসলামীক সেন্টার)
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ তুমি কি বিবাহ করেছো, হে জাবির? তিনি হাদীসটির পূর্ণ বর্ণনা দিয়েছেন- যার শেষে রয়েছে এমন একটি মহিলাকে যে তাদের তত্ত্বাবধান করবে এবং তাদের মাথা আঁচড়ে দিবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “তুমি সঠিক করেছো" ..... এর পরের অংশ তিনি (কুতায়বাহ) উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫০৪, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন এক যুদ্ধে আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম। আমরা যখন প্রত্যাগমন করতে লাগলাম তখন আমি আমার একটি ধীরগামী উটে করে দ্রুত চলার চেষ্টা করলাম। আমার পিছন থেকে একজন আরোহী আমার সঙ্গে মিলিত হল এবং সে তার হাতের একটি ছোট্ট বর্শা দিয়ে আমার উটকে খোচা দিল। ফলে আমার উটটি তোমার দেখা উটপালের শ্রেষ্ঠ উটের ন্যায় দ্রুতগতিতে চলতে লাগল। আমি তখন পিছনের দিকে তাকলাম- দেখি যে, আমি রয়েছি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পাশে। তিনি বললেন, হে জাবির তোমার এ ব্যস্ততা কেন? আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি ঘরে নতুন স্ত্রী রেখে এসেছি। তিনি বললেন, তুমি কি কোন কুমারীকে বিয়ে করেছে না কোন বিধবাকে? জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি বললামঃ বিধবাকে। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, কোন তরুণী (কুমারী)-কে কেন বিয়ে করলে না— যার সঙ্গে তুমি ক্রীড়া-কৌতুক করতে এবং সেও তোমার সঙ্গে আমোদ-আহলাদ করত। জাবির (রাযিঃ) বললেন, আমরা যখন মাদীনার সন্নিকটে উপনীত হয়ে সেখানে প্রবেশ করতে উদ্যত হলাম তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, একটু অবকাশ দাও, রাত পর্যন্ত অর্থাৎ ইশার সময় আমরা প্রবেশ করব- যাতে এলোকেশিনী তার কেশ বিন্যাস করে নিতে পারে এবং স্বামী প্রবাসিনী পরিচ্ছন্নতা অর্জনের প্রস্তুতি নিতে পারে। জাবির (রাযিঃ) বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরো বললেন, তুমি যখন পৌছে যাবে তখন সঙ্গ সুখ লাভ করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫০৫, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে একটি যুদ্ধের উদ্দেশে বের হলাম। আমার উটটি আমাকে ধীরগামিতার শিকার বানাল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন আমার কাছে এসে আমাকে বললেন, হে জাবির! আমি বললাম, জী। তিনি বললেন, তোমার ব্যাপার কী? আমি বললাম, আমার উট আমাকে ধীরগামিতায় ফেলে দিয়েছে এবং পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েছে। ফলে আমি পিছনে পড়ে গিয়েছি। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নেমে পড়ে তার (বাকামাথা) লাঠি দিয়ে উটকে গুতো দিলেন। এরপর বললেন, আরোহণ কর, আমি তখন আরোহণ করলাম। আমি (উটটিকে তার অতি দ্রুতগামিতার কারণে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে অতিক্রম করে যেতে দেখে ঠেকাতে লাগলাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কি বিয়ে করেছো? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, কুমারী না বিধবা? আমি বললামঃ বিধবা। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে কোন (কুমারীকে) কেন বিয়ে করলে না, যার সঙ্গে তুমি ক্রীড়া-কৌতুক করতে, সেও তোমার সঙ্গে আমোদ ফুর্তি করত? আমি বললাম, আমার বেশ কটি বোন (অবিবাহিতা) রয়েছে। তাই আমি এমন নারীকে বিয়ে করা পছন্দ করলাম যে তাদের গুছিয়ে রাখবে, তাদের মাথা আঁচড়ে দিবে এবং তাদের দেখাশোনা করবে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি তো (মাদীনায়) উপনীত হতে যাচ্ছ, তাই যখন পৌছে যাবে তখন স্ত্রীর সাথে মিলিত হবে। পরে তিনি বললেন, তোমার উটটি বেঁচবে কি? আমি বললাম, জী হ্যাঁ। তিনি তখন আমার নিকট হতে এক উকিয়্যার (চল্লিশ দিরহাম সমমূল্যের) বিনিময়ে কিনে নিলেন। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যথাসময়ে মাদীনায় পৌছলেন। আমিও সকালে আগমন করে মসজিদে (নবাবীতে) পৌছলাম এবং তাকে মসজিদের দরজায় পেয়ে গেলাম। তিনি বলেন, আমি যখন এলাম তুমি কি তখন এসেছো? আমি বললাম, জী হ্যাঁ। তিনি বললেন, তবে তোমার উটটি রেখে দাও এবং (মসজিদে) প্রবেশ করে দু’রাকাআত সালাত আদায় করে নাও। জাবির বলেন, আমি প্রবেশ করে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলাম। পরে ফিরে এলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এক উকিয়াহ ওজন করে দেয়ার জন্য বিলাল (রাযিঃ) কে হুকুম করলেন। বিলাল (রাযিঃ) তখন আমাকে ওজন করে দিলেন এবং ওজনে পাল্লা ঝুঁকিয়ে দিলেন। জাবির (রাযিঃ) বলেন, তখন আমি চলে যেতে লাগলাম। আমি কিছু দূর চলে গেলে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ জাবিরকে আমার কাছে ডেকে আন। তখন আমাকে ডাকা হল। আমি (মনে মনে) বললাম, এখন উটটি আমাকে ফিরিয়ে দিবেন অথচ আমার কাছে ওর চেয়ে অধিক অপছন্দনীয় আর কিছু ছিল না। তিনি বললেন, "তোমার উট তুমি নিয়ে যাও আর তোমার মূল্য তোমারই রইল" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫০৬, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল আ'লা (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা কোন এক সফরে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম। আমি ছিলাম আমার একটি (পানিবাহী) উটের পিঠে। ওটি ছিল কাফিলার পশ্চাদ্বতীদের মাঝে। জাবির (রাযিঃ) বলেন, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে পিটুনী দিলেন কিংবা (বর্ণনা দ্বিধা) তিনি বলেছেন যে, তাকে খোঁচা দিলেন- আমার (আবূ নাযর) ধারণা তিনি (জাবির) বলেছেন যে, কোন কিছু দিয়ে যা তার সঙ্গে ছিল। জাবির (রাযিঃ) বলেন, এরপরে সে (উট) কাফিলার লোকদের আগে আগে চলে যেতে লাগল এবং আমাকে (আমার ধরে রাখা লাগামসহ) টেনে নিয়ে যেতে লাগল। এমন কি আমি তাকে ঠেকিয়ে রাখছিলাম। জাবির (রাযিঃ) বলেন, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-বললেন এত এত-এর বিনিময়ে এটি তুমি আমার কাছে বেচবে কি? এবং আল্লাহ তোমাকে মাফ করুন। জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি বললামঃ এটি আপনার জন্য, হে আল্লাহর নবী। তিনি বললেন, এত এত-তে সেটি তুমি আমার কাছে বেঁচবে কি? এবং আল্লাহ তোমাকে মাফ করুন। জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি বললাম, এটি আপনার। জাবির (রাযিঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আরও বললেন, তোমার পিতার (মৃত্যুর) পরে তুমি কি বিয়ে করেছো? আমি বললাম, জ্বি হ্যাঁ। তিনি বললেন, বিধবাকে না কুমারীকে? জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি বললাম, বিধবাকে। তিনি বললেন, "তবে তুমি কোন কুমারীকে বিয়ে করলে না কেন- যে তোমাকে আমোদ-প্রমোদে রাখত আর তুমি তার সঙ্গে ক্রীড়া ক্ষুর্তি করতে।" (রাবী) আবূ নাযরাহ (রহঃ) বলেন, এ কথাটি (অর্থাৎ আল্লাহ তোমার মাগফিরাত করুন!) ছিল একটি বাক্যাংশ যা মুসলিমগণ তাদের কথাবার্তায় (কথার মাত্রা ও বাচনভঙ্গী রূপে) উচ্চারণ করতেন। তারা বলতেন এরূপ ও এমন কর...আল্লাহ তোমার মাগফিরাত করুন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫০৯, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র আল হামদানী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিঃ) এর সূত্রে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুনিয়া উপভোগের উপকরণ (ভোগ্যপণ্য) এবং দুনিয়ার উত্তম উপভোগ্য উপকরণ পুণ্যবতী নারী। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫০৬, ইসলামীক সেন্টার)
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নারী পাঁজরের হাড়ের ন্যায় (বাকা)। যখন তুমি তাকে সোজা করতে যাবে তখন তা ভেঙ্গে ফেলবে আর তার মাঝে বক্রতা রেখে দিয়েই তা দিয়ে তুমি উপকার হাসিল করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫০৮, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি তার ক্লান্ত উটের উপর আরোহী হয়ে ভ্রমণ করছিলেন। তিনি উটটি ছেড়ে দেয়ার ইচ্ছা করেন। তিনি বলেন, এরপর আমার সাথে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাক্ষাৎ হয়। তিনি আমার জন্য দুআ করেন এবং উটটিকে আঘাত করেন। এরপর উট এমনভাবে চলতে থাকে যে, যেমন আর কখনও চলেনি। তিনি বলেন, এটি আমার নিকট এক উকিয়ার বিনিময়ে বিক্রি করো। আমি বললাম, না। তিনি আবারও বললেন, আমার নিকট এটিকে বিক্রি করে দাও। অতঃপর এক উকিয়ার বিনিময়ে তা বিক্রি করে দিলাম এবং আমার বাড়ী পর্যন্ত তাতে আরোহী হওয়ার শর্ত করলাম। যখন আমি পৌঁছলাম তখন তার নিকট উট নিয়ে আসলাম। তিনি আমাকে তার মূল্য পরিশোধ করলেন। পরে ফিরে গেলাম। তিনি আমার পেছনে ডাকতে পাঠালেন এবং বললেন, আমি কি তোমার উট নেয়ার জন্য মূল্য কম বলেছিলাম? তোমার উট নিয়ে যাও এবং তোমার দিরহামও তুমি নিয়ে যাও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৯৫৩, ইসলামিক সেন্টার)
আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে ইবনু নুমায়রের হাদীসের মতই বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৯৫৪, ইসলামিক সেন্টার)
উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে জিহাদে যাই। আমি একটি ধীরগতির উটের পিঠে চলছিলাম, তিনি আমাকে বললেনঃ তোমার উটের কী হয়েছে? আমি বললাম, অসুখ হয়েছে। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পশ্চাতে গেলেন এবং উটকে ধমক দিলেন ও দুআ করলেন। এরপর তা সকল উটের আগে আগে চলতে থাকে। তিনি বললেন, এখন তোমার উটের অবস্থা কী? আমি বললাম, ভালই; আপনার বারাকাতের পরশ লেগেছে। তিনি বললেন, এটি আমার নিকট বেচে দিবে কি? আমি লজ্জিত হলাম। কারণ এটা ছাড়া আমাদের অন্য কোন পানি বহনকারী উট ছিল না। অবশেষে বললাম, হ্যাঁ। সুতরাং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এটা এ শর্তে বিক্রি করলাম যে, মাদীনাহ পর্যন্ত তার উপর আরোহণ করা আমার অধিকারে থাকবে। তিনি বললেন, এরপর আমি আরয করলামঃ হে আল্লাহর রসূল! আমি সদ্য বিবাহিত। তাই আমি তার নিকট অনুমতি চাইলাম (তাড়াতাড়ি চলে আসার), তিনি আমাকে অনুমতি দিলেন। সুতরাং অন্যান্য লোকের আগেই আমি মাদীনার দিকে রওয়ানা হলাম। যখন শেষ সীমায় পৌছলাম তখন আমার মামার সঙ্গে সাক্ষাৎ হলো। তিনি আমার কাছে উটের অবস্থা জিজ্ঞেস করলেন। আমি তাকে সে সব কথা জানালাম যা এ ব্যাপারে আমি করেছি। তিনি এজন্যে আমাকে তিরস্কার করলেন। জাবির (রাযিঃ) বললেন, আমি যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট অনুমতি প্রার্থনা করি তখন তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন তুমি কি কুমারী মেয়ে বিবাহ করেছো, না পূর্ব বিবাহিতাকে? বললাম, আমি পূর্ব বিবাহিতা নারীকে বিবাহ করেছি। তিনি বললেন, কেন কুমারী বিবাহ করেনি? যার সাথে তুমি আমোদ-প্রমোদ করতে আর সেও তোমার সাথে আমোদ-প্রমোদ করত। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার কয়েকজন ছোট ছোট বোন রেখে আমার পিতা মারা যান অথবা (বলেন) শাহাদাত বরণ করেন। তাই আমি পছন্দ করিনি তাদের নিকট তাদেরই মত আর একজনকে বিবাহ করে আনতে যে তাদের সুশিক্ষা দিতে ও দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারবে না। এ কারণে আমি পূর্ব বিবাহিতা নারীকে বিবাহ করেছি, যাতে সে তাদের দেখাশুনা করতে পারে ও সুশিক্ষা দিতে পারে। জাবির (রাযিঃ) বলেন, যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদীনায় পৌছলেন, আমি ভোরে উটসহ তার নিকট হাযির হলাম। তিনি তার মূল্য আমাকে প্রদান করেন এবং উটও ফেরত দেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৯৫৫, ইসলামিক সেন্টার)
উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে মাক্কাহ্ থেকে মদীনায় আগমন করি। অতঃপর আমার উট অসুস্থ হয়ে পড়ে, অতঃপর পূর্ণ ঘটনাসহ তিনি হাদীস বর্ণনা করেন। আর এ বর্ণনায় আছে যে, তিনি আমাকে বললেন, আমার নিকট তোমার এ উট বিক্রি করো। আমি বললাম, না, বরং এটা আপনারই। তিনি বললেন, না, বরং আমার নিকট বিক্রি করো। আমি বললাম, না, বরং এটা তো আপনারই হে আল্লাহর রসূল! তিনি বললেন না, বরং এটা আমার নিকট বিক্রি কর। আমি বললাম, তাহলে আমার উপর এক ব্যক্তির এক উকীয়াহ স্বর্ণ পাওনা আছে তার বিনিময়ে এটা আপনার। তিনি বললেন, আমি এটা নিয়ে এলাম। তুমি এতে আরোহী হয়ে মাদীনাহ পর্যন্ত যেতে পারবে। জাবির (রাযিঃ) বললেন, যখন আমি মাদীনায় পৌঁছলাম তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিলালকে বললেন, একে এক উকীয়াহ্ স্বর্ণ দাও এবং কিছু বাড়তি দাও। অতঃপর তিনি আমাকে এক উকীয়াহ স্বর্ণ দিলেন এবং এক কীরাত বাড়তি দিলেন। জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি (মনে মনে) বললাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এ বাড়তি বস্তু কখনও আমার থেকে আলাদা হবে না। রাবী বলেন, অতঃপর তা আমার নিকট একটি থলির মধ্যে থাকত। সিরিয়াবাসীরা হাররা দিবসে তা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৯৫৬, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ কামিল জাহদারী (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা এক সফরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। আমার উট পিছনে থেকে যায়, অতঃপর হাদীসটি পূর্ণ বর্ণনা করেন। আর তাতে বলেনঃ অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটটিকে খোঁচা দিলেন। তারপর সর্বদা আমাকে বেশি দিতে থাকেন এবং বলতে থাকে, আল্লাহ তোমাকে মাফ করুন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৯৫৭, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ রাবী' আতাকী (রহঃ) ... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন আমার নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলেন তখন আমার উট ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। তারপর তিনি উটটিকে খোঁচা দিলেন। এতে সে দৌড়াতে শুরু করল। পরে আমি এটার লাগাম টেনে ধরি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা শোনার জন্যে, কিন্তু তা আমি পেরে উঠলাম না। অবশেষে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সাথে একত্রিত হন এবং বলেন, আমার নিকট একে বিক্রি করো। সুতরাং পাঁচ উকিয়্যার বিনিময়ে আমি বিক্রি করি। জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি এ শর্ত করলাম যে, মাদীনাহ পর্যন্ত আমি এতে সওয়ার হয়ে যাব। তিনি বলেন, মাদীনাহ পর্যন্ত তুমি সওয়ার হতে পারবে। জাবির (রাযিঃ) বলেন, যখন আমি মাদীনায় পৌছলাম তখন উটসহ আমি তার নিকট গেলাম। তিনি আমাকে আরো এক উকিয়্যাহ বাড়তি দেন এবং পরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটটিও আমাকে প্রদান করে দেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৯৫৮, ইসলামিক সেন্টার)
উকবাহ ইবনু মুকরাম আম্মী (রহঃ) ... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে কোন এক সফরে সঙ্গী থাকি। রাবী বলেন, হয়ত তিনি যুদ্ধে সফরের কথা বলেছেন এবং পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন। তাতে আরও বাড়তি আছে যে, তিনি বললেনঃ হে জাবির! আমি কি মূল্য পরিশোধ করেছি? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, মূল্য তোমার, উটও তোমার, মূল্য তোমার, উটও তোমার। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৯৫৯, ইসলামিক সেন্টার)
উবাইদুল্লাহ ইবনু মু'আঘ আম্বরী (রহঃ) ... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার থেকে একটি উট দু' উকিয়াহ ও এক দিরহাম বা দু' দিরহামের বিনিময়ে ক্রয় করেন। যখন তিনি সিরার নামক স্থানে পৌছেন, তখন একটি গাভী যাবাহ করার জন্যে আমাকে আদেশ দেন। তারা সকলেই তা খেলেন। যখন তিনি মদীনায় পৌছেন তখন আমাকে মসজিদে আসার ও দু’রাকাআত আদায়ের হুকুম করেন। তিনি আমাকে উটের মূল্য ওজন করে দেন এবং কিছু বেশী দেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৯৬০, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব হারিসী (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এ ঘটনা বর্ণনা করেন। এতে তিনি আরও বলেন যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যে দাম বলেন আমার থেকে সে দামে তা ক্রয় করেন। তিনি দু' উকীয়াহ ও এক দিরহাম এবং দু দিরহামের কথা উল্লেখ করেননি। আর তিনি গাভী যাবাহ করার কথা বলেন। সুতরাং তা নহর করা হয় ও পরে গোশত বণ্টন করা হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৯৬১, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেন, আমি চার দীনার মূল্যে তোমার উট নিলাম, আর এর পিঠে চড়ে তুমি মদীনায় যেতে পারবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৯৬২, ইসলামিক সেন্টার)
ইসমাঈল ইবনু সালিম (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা এক অভিযানে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম। তারপর আমরা যখন মাদীনায় আসলাম এবং ঘরে ফিরতে উদ্যত হলাম তখন তিনি বললেন, একটু অপেক্ষা কর, আমরা রাতে বা সন্ধ্যায় বাড়ীতে প্রবেশ করবো এতে যাদের সহধর্মিণীদের চুল অবিন্যস্ত তারা নিজেদের চুল বিন্যস্ত করে নিবে এবং যাদের স্বামী প্রবাসে ছিল তারা গুপ্তাঙ্গের লোম পরিষ্কার করার অবকাশ পাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৮১১, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের কোন ব্যক্তি রাতের বেলা সফর থেকে ফিরে তখন সে যেন রাতের আগন্তকের মতো অতর্কিতভাবে পরিবারবর্গের কাছে গিয়ে উপস্থিত না হয় যাতে দীর্ঘকাল অনুপস্থিত স্বামীর স্ত্রী তার গুপ্তাঙ্গের লোম পরিষ্কার করার এবং এলোমেলো চুলবিশিষ্ট নারী তার চুল বিন্যাস করার সুযোগ পায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৮১২, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব (রহঃ) ..... সাইয়্যার (রহঃ) হতে এ সানাদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৮১৩, ইসলামিক সেন্টার)
–(১৮৩/...) মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন কোন ব্যক্তি দীর্ঘ সফরের পর বাড়ী ফিরে তখন রাতের অপ্রত্যাশিত আগন্তুকের মতো পরিবারের নিকট উপস্থিত হতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৮১৪, ইসলামিক সেন্টার)