আবূ তাহির ও হারমালাহ্ (রহঃ) ..... 'আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে রুকূ’ বা সাজদায় কুরআন পাঠ করতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৫৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা (রহঃ) ..... আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে রুকূ’ এবং সাজদারত অবস্থায় কুরআনের আয়াত পাঠ করতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৫৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বকর ইবনু ইসহাক (রহঃ) ..... আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে রুকু’-সাজদায় কুরআন পাঠ করতে নিষেধ করেছেন। আমি বলছি না "তিনি তোমাদের নিষেধ করেছেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৬০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
যুহারর ইবনু হারব ও ইসহাক (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার প্রিয়তম (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে রুকু’-সাজদার কিরাআত পাঠ করতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৬১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, ঈসা ইবনু হাম্মদ আল মিসরী, হারূন ইবনু আবদুল্লাহ, আল মুকাদ্দামী, হারূন ইবনু সাঈদ আল লাইলী, ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব ও কুতাইবাহ ইবনু হুজর এবং হান্নাদ ইবনু আস্ সারী (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে রুকু অবস্থায় কুরআন পাঠ করতে নিষেধ করেছেন। উল্লেখিত সব রাবীই রুকুর কথা বলেছেন। তারা নিজ নিজ বর্ণনায় 'সাজদার মধ্যে কুরআন পাঠ করা নিষেধ' এরূপ কথা উল্লেখ করেননি; যেমন- যুহরী, যায়দ ইবনু আসলাম, ওয়ালীদ ইবনু কাসীর এবং দাউদ ইবনু কায়স নিজেদের বর্ণনায় এ নিষেধাজ্ঞার কথাও উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৬২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
কুতাইবাহ (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) হতে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এ সূত্রে ‘সাজদায় কুরআন পাঠ করা নিষেধ' এ কথার উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৬৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)