Sahih Muslim
1594.04

ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবূ নাযরাহ্ (রাযিঃ) এর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু উমার ও ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর নিকট বায়-এ সারফ (স্বর্ণ-রৌপ্যের বিনিময়) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করি। তারা এতে কোন দোষ মনে করেননি। পরবর্তীকালে একবার আমি আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) এর নিকট বসা ছিলাম। তার নিকট সারফ বিষয়ে জানতে চাইলাম। তিনি বললেন, যা বাড়তি হবে তা সুদ। কিন্তু তাদের দু'জনের মতের কারণে আমি এর প্রতিবাদ করলাম। এরপর তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যা শুনেছি তাই তোমার কাছে বর্ণনা করছি। একদা তার নিকট খেজুরের বাগানের এক মালিক এক সা' ভাল মানের খেজুর নিয়ে আসে। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেজুরও এ শ্রেণীরই ছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ এ তুমি কোথায় পেলে? সে বলল, আমি দু ‘সা খেজুর নিয়ে বাজারে যাই এবং তার বদলে এ এক সা' ক্রয় করি। কেননা বাজারে এটির মূল্য এতো এবং ওটির মূল্য এতো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আফসোস তোমার প্রতি, তুমি সুদের কাজ করেছ। যখন তুমি এরূপ চাও, তখন তোমার খেজুর কোন বস্তুর বিনিময়ে বিক্রি করে দিবে। পরে তোমার বস্তুর বিনিময়ে যে প্রকার খেজুর চাও কিনবে। আবূ সাঈদ (রাযিঃ) বলেন, সুতরাং খেজুরের বিনিময়ে খেজুর সুদ হওয়ার অধিক যোগ্য নাকি রৌপ্যের বিনিময়ে অতিরিক্ত রৌপ্য সুদ হওয়ার বেশী যোগ্য। রাবী বলেন, পরবর্তীকালে আমি ইবনু উমার (রাযিঃ) এর নিকট এসেছি এবং তিনি আমাকে নিষেধ করেছেন। আর আমি ইবনু আব্বাসের কাছে যাইনি। রাবী বলেন, আবূস সাহবা (রহঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি এ ব্যাপারে ইবনু আব্বাসের কাছে মাক্কায় জিজ্ঞেস করেছিলেন, তখন তিনি তা পছন্দ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৯৪২, ইসলামিক সেন্টার)