আবূ তাহির (রহঃ) ..... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ বারীরার ঘটনায় তিনটি বিধান জারী হয়েছেঃ ১. যখন সে মুক্তি লাভ করেছিল তখন স্বামীর (বৈবাহিক সূত্র বহাল রাখা, না রাখার) ব্যাপারে তাকে ইখতিয়ার প্রদান করা হয়েছিল। ২. তাকে গোশত সদাকাহ করা হয়েছিল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের (আয়িশাহর) কাছে এলেন। তখন গোশতের হাড়ি চুলার উপর টগবগ করছিল। তিনি খাবার চাইলেন। তখন তার সামনে রুটি এবং ঘর থেকে তরকারী পরিবেশন করা হল। তিনি বললেনঃ আমি কি লক্ষ্য করিনি যে, চুলার উপর হাড়ি আছে যার মধ্যে গোশত রয়েছে। তারা বললেনঃ জি হ্যাঁ, হে আল্লাহর রসূল! ওটা তো বারীরাকে সদাকাহ দেয়া গোশত। আমরা তা থেকে আপনাকে খাওয়ানো পছন্দ করিনা। তখন তিনি বললেনঃ এতো তার জন্য সদাকাহ এবং তার পক্ষ থেকে তা আমাদের জন্য হাদিয়া। ৩. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার (বারীরার) মুক্তির ব্যাপারে বললেনঃ আসলে ওয়ালা সে-ই পাবে যে আযাদ করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৬৪৪, ইসলামিক সেন্টার)
Sahih MuslimHadith 3786
1504.11