Sahih Muslim
335.01

আবূ রাবী' আয যাহরানী ও হাম্মদ (রহঃ) ..... মুআযাহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। জনৈক মহিলা আয়িশাহ (রাযিঃ) কে প্রশ্ন করল, আমাদের কেউ কি তার হায়িযের দিনগুলোর সালাত কাযা করবে? আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেন, তুমি কি হারূরিয়্যাহ’* (খারিজীয়া)? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে আমাদের কারো হায়িয হলে পরে তাকে (সালাত) কাযা করার নির্দেশ দেয়া হতো না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৫২, ইসলামিক সেন্টারঃ)

335.02

মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না (রহঃ) ..... মুআযাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি 'আয়িশাহ (রাযিঃ) কে প্রশ্ন করলেন, ঋতুবতী মহিলা কি সালাত কাযা করবে? আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেন, তুমি কি হারূরিয়্যাহ? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পত্নীগণের হায়িয হত, তিনি কি তাদেরকে (সালাত) কাযা করার হুকুম দিয়েছেন? মুহাম্মদ ইবনু জাফার বলেনঃ يَجْزِينَ এর অর্থ يَقْضِينَ সালাত কাযা করা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৫৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)

335.03

আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... মুআযাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ (রাযিঃ) কে প্রশ্ন করলাম, ঋতুবতী মহিলা সওম কাযা করবে এবং সালাত কাযা করবে না এটা কেমন কথা? তিনি বললেন, তুমি কি হারূরিয়্যাহ? আমি বললাম, আমি হারূরিয়্যাহ নই; বরং আমি (জানার জন্যই কেবল) জিজ্ঞেস করছি। তিনি 'আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেন, আমাদের এরূপ হত। তখন আমাদেরকে কেবল সওম কাযা করার নির্দেশ দেয়া হত, সালাত কাযা করার নির্দেশ দেয়া হত না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৫৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)