Sahih Muslim
2997.01

ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না আল আম্বারী ও মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ আর রুযয়ী (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বনী ইসরাঈলের একদল লোক হারিয়ে গিয়েছিল। জানা নেই তারা কোথায় আছে। আমার ধারণা তারা ইদুরে রূপান্তর হয়েছে। তোমরা কি দেখছ না যে, এদের জন্য উষ্ট্রীর দুধ রাখলে তারা তা পান করে না। কিন্তু বকরীর দুধ রাখলে তারা তা পান করে নেয়। আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেন, এ হাদীস আমি কা'ব (রাযিঃ) এর কাছে বর্ণনা করার পর তিনি আমাকে প্রশ্ন করলেন, এ হাদীসটি তুমি কি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছ? আমি বললাম, হ্যাঁ। এ প্রশ্নটি তিনি আমাকে একাধিকবার করলেন। পরিশেষে বললাম, আমি কি তাওরাত পড়তে জানি? রবী ইসহাক তার বর্ণনায় لاَ يُدْرَى مَا فَعَلَتْ এর পরিবর্তে لاَ نَدْرِي مَا فَعَلَتْঅর্থাৎ "আমরা জানি না তারা কোথায় গেছে" শব্দটি উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২২৬, ইসলামিক সেন্টার)

2997.02

(…) আবু কুরায়ব, মুহাম্মাদ ইবনুল আলা (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইদুর মানুষের বিকৃত রূপধারী। এর নমুনা হচ্ছে এই যে, এদের সম্মুখে বকরীর দুধ রাখলে তারা তা পান করে নেয় আর উষ্ট্রীর দুধ রাখলে তারা তার কোন স্বাদও গ্রহণ করে দেখে না। এ কথা শুনে কা’ব (রাযিঃ) তাকে প্রশ্ন করলেন, তুমি নিজে কি এ হাদীসটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছ? উত্তরে তিনি বললেন, তা না হলে আমার উপর কি তাওরাত নাযিল হয়েছে? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২২৭, ইসলামিক সেন্টার)