আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ..... উকবাহ ইবনু আম্র ও আবু মাসউদ আনসারী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রিবাঈ ইবনু হিরাশ (রহঃ) বলেন, আমি উকবাহ ইবনু আমির আবূ মাসউদ আনসারী (রাযিঃ) এর সাথে হুযাইফাহ্ ইবনু ইয়ামান (রাযিঃ) এর নিকট গেলাম। তারপর উকবাহ (রাযিঃ) হুযইফাহ্ (রাযিঃ) কে বললেন, আপনি দাজ্জাল বিষয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যা যা শুনেছেন তা আমাদেরকেও শুনান। তিনি বললেন, দাজ্জাল যখন আবির্ভূত হবে তখন তার সাথে পানি ও আগুন থাকবে। কিন্তু মানুষ যেটাকে বাহ্যত পানি দেখবে সেটা হবে দাহনশীল অগ্নি। আর যেটাকে মানুষ বাহ্যত অগ্নি দেখবে সেটা হবে সুমিষ্ট ঠাণ্ডা পানি। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে কেউ এ সময়কাল পায় সে যেন দৃশ্যত যাকে অগ্নি দেখা যাচ্ছে তাতেই প্রবেশ করে। কেননা প্রকৃতপক্ষে সেটা হবে সুমিষ্ট পানি। তারপর হুযাইফার সমর্থন করে উকবাহ্ (রাযিঃ) বলেন, আমিও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ হাদীস শুনেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১০৩, ইসলামিক সেন্টার)
Sahih MuslimHadith 2935 (2 narrations)
2935.01
2935.02
(…) ‘আলী ইবনু হুজর আস্ সাদী ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... রিবাঈ ইবনু হিরাশ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা হুযাইফাহ ও আবু মাসউদ (রাযিঃ) একত্রিত হলেন। তখন হুযাইফাহ (রাযিঃ) বললেন, দাজ্জালের সঙ্গে যা থাকবে এ সম্পর্কে আমি তাথেকে সর্বাধিক জ্ঞাত। তার সঙ্গে একটি পানির ঝর্ণা এবং একটি আগুনের নহর থাকবে। যেটাকে বাহ্যত অগ্নি মনে হবে সেটাই হবে পানি। আর যেটাকে বাহ্যত পানি মনে হবে সেটাই হবে অগ্নি। তোমাদের কেউ যদি এ সময়কাল পায় এবং সে পানি পান করার ইচ্ছা করে তবে সে যেন যা দৃশ্যত অগ্নি মনে হবে তা থেকে পান করে। কেননা এখানেই সে পানি পাবে। বর্ণনাকারী আবু মাসউদ (রাযিঃ) বলেন, আমিও এমনটিই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭১০৪, ইসলামিক সেন্টার)