আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... শাকীক (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ (রাযিঃ) এর অপেক্ষায় আমরা তার (বাড়ীর) দ্বারপ্রান্তে বসা ছিলাম। এ সময় ইয়াযীদ ইবনু মুআবিয়াহ্ নাখাঈ (রহঃ) আমাদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করতে লাগলেন। আমরা তাকে বললাম, আপনি তাকে আমাদের অবস্থানের সংবাদটি দিন। তিনি ভেতরে তার নিকট গেলেন। আমনি দেরী না করে আবদুল্লাহ (রাযিঃ) আমাদের সম্মুখে বেরিয়ে আসলেন। তারপর তিনি বললেন, তোমাদের অবস্থানের সংবাদ আমাকে পৌছানো হয়েছে। তবে তোমাদের কাছে আসতে এ জিনিসই আমাকে নিষেধ করেছে যে, আমি যেন তোমাদেরকে বিরক্ত না করে ফেলি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের উদ্দেশে নির্ধারিত দিনে উপদেশ দিতেন, আমাদের মধ্যে যাতে বিরক্ত ভাব সৃষ্টি না হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮৬৬, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ সাঈদ আল আশাজ্জ ও মিনজাব ইবনুল হারিস আত তামীমী, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ), ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... আমাশ (রহঃ) হতে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। মিনজাব আরও উল্লেখ করেছেন যে, ইবনু মুসহির হতে। তিনি বলেন, আ'মাশ বলেছেন, ‘আমর ইবনু মুররাহ হতে, তিনি শাকীক হতে, তিনি আবদুল্লাহ হতে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮৬৭ ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... ওয়ায়িল এর পিতা শাকীক (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ (রাযিঃ) প্রত্যেক বৃহস্পতিবার দিন আমাদেরকে উপদেশ দিতেন। এক লোক তাকে বললেন, হে আবদুর রহমানের পিতা! আমরা আপনার কাছ থেকে হাদীস বর্ণনা শুনতে ভালো লাগে এবং ইচ্ছা পোষণ করি যে, আপনি আমাদের কাছে প্রত্যেক দিন হাদীস বর্ণনা করেন। এ কথা শুনে তিনি বললেন, এ কাজ হতে আমাকে যা বিরত রাখে তা হলো, আমি তোমাদেরকে বিরক্ত করা পছন্দ করি না, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের অবস্থার প্রতি লক্ষ্য রেখে নির্ধারিত দিনে উপদেশ দিতেন, আমরা যাতে বিরক্ত না হই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮৬৮, ইসলামিক সেন্টার)