কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ, আমর আন্ নাকিদ, ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... জুওয়াইরিয়াহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভোরবেলা ফজরের সালাত আদায় করে তার নিকট থেকে বের হলেন। ঐ সময় তিনি সালাতের স্থানে বসাছিলেন। এরপর তিনি চাশতের পরে ফিরে আসলেন। এমতাবস্থায়ও তিনি উপবিষ্ট ছিলেন। তিনি বললেন, আমি তোমাকে যে অবস্থায় ছেড়ে গিয়েছিলাম তুমি সে অবস্থায়ই আছ। তিনি বললেন, হ্যাঁ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি তোমার নিকট হতে রওনার পর চারটি কালিমাহ তিনবার পড়েছি। আজকে তুমি এ পর্যন্ত যা বলেছ তার সাথে ওযন করা হলে এ কালিমাহ চারটির ওযনই ভারী হবে। কালিমাগুলো এই— “সুবহা-নাল্লা-হি ওয়াবি হামদিহি আদাদা খল্কিহি ওয়া রিযা- নাফসিহি ওয়াযিনাতা আরশিহি ওয়ামি দা-দা কালিমা-তিহি", অর্থাৎ- “আমি আল্লাহর প্রশংসার সাথে তার পবিত্রতা বর্ণনা করছি তার মাখলুকের সংখ্যার পরিমাণ, তার সন্তুষ্টির পরিমণ, তার আরশের ওযন পরিমাণ ও তার কালিমাসমূহের সংখ্যার পরিমাণ।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬৬৫, ইসলামিক সেন্টার)
Sahih MuslimHadith 2726 (2 narrations)
2726.01
2726.02
(…/...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আবু কুরায়ব ও ইসহাক (রহঃ) ..... জুওয়াইরিয়াহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফজরের সালাতের সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নিকট আসলেন অথবা ফজরের সালাতের পরে সকালে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসলেন। তারপর রাবী তার হুবহু হাদীস বর্ণনা করেন। কিন্তু তাতে পার্থক্য শুধু এই যে, তিনি বলেছেন, “সুবহা-নাল্লা-হি আদাদা খলকিহি সুবহা-নাল্ল-হি রিযা- নাফসিহি সুবহা-নাল্ল-হি যিনাতা আরশিহি সুবহা-নাল্ল-হি মিদা-দা কালিমা-তিহি", অর্থাৎ- “আমি আল্লাহর প্রশংসার সাথে পবিত্রতা বর্ণনা করছি তার অসংখ্য মাখলুকের পরিমাণ, তার সন্তুষ্টির সমান, তার আরশের ওযন পরিমাণ এবং তার কালিমাসমূহের সংখ্যার সমান।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬৬৬, ইসলামিক সেন্টার)