যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা যদি কোন বান্দাকে পছন্দ করেন তখন জিবরীল (আঃ) কে ডাক দেন এবং বলেন, নিশ্চয়ই আমি অমুক লোককে পছন্দ করি, তুমিও তাকে পছন্দ কর। তিনি বলেন, তখন জিবরীল (আঃ) তাকে পছন্দ করেন। অতঃপর তিনি আকাশমণ্ডলীতে ঘোষণা দিয়ে বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ অমুক লোককে পছন্দ করেন, সুতরাং আপনারাও তাকে পছন্দ করুন। তখন আকাশবাসীরা তাকে পছন্দ করে। তিনি বলেন, এরপর দুনিয়াতে তাকে নন্দিত, সমাদৃত করা হয়। আর আল্লাহ যদি কোন লোকের উপর রাগ করেন তখন জিবরীল (আঃ) কে ডাক দেন এবং বলেন, আমি অমুক বান্দার উপর রাগ করেছি, তুমিও তার প্রতি নারাজ হও। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, তখন জিবরীল (আঃ) তার উপর রাগাম্বিত হন। তারপর তিনি আকাশবাসীদেরকে ডাক দিয়ে বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা অমুকের উপর রাগান্বিত। কাজেই আপনারাও তার উপর ক্রোধাম্বিত হোন। তিনি বলেন, তখন লোকেরা তার উপর দুশমনি পোষণ করে। তারপর তার জন্য পৃথিবীতে শত্রু বানিয়ে দেয়া হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৬৫, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ, সাঈদ ইবনু আমর আল আস’আশী ও হারুন ইবনু সাঈদ আল আইলী (রহঃ) ...... সুহায়ল (রহঃ) এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণিত। তাছাড়া আলা ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) এর হাদীসেالْبُغْضِ (শক্রতা) শব্দটির উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৬৬, ইসলামিক সেন্টার)
আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... আবু সালিহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করছিলাম। তখন উমর ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ) গমন করলেন। সে সময় হজ্জের মৌসুম, লোকেরা তাকে দেখে দাঁড়িয়ে গেলেন। তখন আমি আমার পিতাকে বললাম, হে আব্বাজান! আমার মনে হয়, আল্লাহ তা’আলা উমার ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ) কে পছন্দ করেন। তিনি বলেন, সে কি? অর্থাৎ- তুমি কিভাবে বুঝলে? আমি বললাম, এ কারণে যে, মানুষের হৃদয়ে তার ভালবাসা বদ্ধমূল হয়ে আছে। তিনি বললেন, তোমার পিতার শপথ! তুমি শুনেছ আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাদীস বর্ণনা করতে। তারপর তিনি সুহায়ল (রাযিঃ) হতে জারীর বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৬৭, ইসলামিক সেন্টার)