আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... হিশাম ইবনু হাকীম ইবনু হিযাম (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, তিনি একবার সিরিয়ায় কয়েকজন মানুষের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন, যাদেরকে উত্তপ্ত সূৰ্যতে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল এবং তাদের মাথার উপর গরম তেল ঢালা হচ্ছিল। তখন তিনি বললেন, এটা কী? তাকে বলা হলো যে, তাদেরকে খাযনার জন্যে সাজা দেয়া হচ্ছে। তখন তিনি বললেন, হুশিয়ার! আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা সেসব লোকেদের সাজা দিবেন, যারা এ জগতে মানুষকে (অন্যায়) সাজা দেয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪১৯, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... হিশাম (রাযিঃ) এর পিতা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার হিশাম ইবনু হাকীম ইবনু হিযাম সিরিয়ার কৃষকদের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন। এদের কঠিন রৌদ্রে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল। তিনি বললেন, এদের কী হয়েছে? তারা বলল, জিযয়ার জন্যে এদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অতঃপর হিশাম বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা তাদের সাজা দিবেন যারা পৃথিবীতে (অন্যায়ভাবে) মানুষকে সাজা দেয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪২০, ইসলামিক সেন্টার)
(…/...) আবূ কুরায়ব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) থেকে এ সূত্রে হুবহু বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি জারীর বর্ণিত হাদীসে এটুকু বর্ধিত উল্লেখ করেছেন যে, তিনি বলেছেন, সে যুগে ফিলিস্তিনে তাদের শাসক (গভর্নর) ছিলেন উমায়র ইবনু সা'দ। তিনি তার নিকট যান এবং তার সঙ্গে কথা-বার্তা বলেন। তিনি তাদের ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দিলে তারপর তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪২১, ইসলামিক সেন্টার)
আবু তাহির (রহঃ) ..... হিশাম ইবনু হাকীম (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি হিমস এলাকার একব্যক্তি (আমীর)-কে দেখতে পান যে, তিনি জিযয়াহ্ আদায়ের জন্যে কৃষকদের সুর্যের তাপে সাজা দিচ্ছেন। তখন তিনি বললেন, এ কী ব্যাপার! আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা সেসব মানুষ সাজা দিবেন, যারা ইহজগতে মানুষকে (অন্যায়ভাবে) সাজা দেয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪২২, ইসলামিক সেন্টার)