ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ...... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তিকে এবং তার ওয়ারিসদেরকে আজীবন ভোগ করার জন্যে কিছু দান করে, তবে যাকে তা দান করেছে তা তারই হয়ে যাবে। এরপরে যে দান করেছে তা তার কাছে ফিরে আসবে না। কেননা, সে এমনভাবে দান করেছে, যাতে ওয়ারিসগণ তা পেয়ে গেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০৪৩, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ ও কুতাইবাহ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, যদি কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তি এবং তার উত্তরসূরীদেরকে আজীবন ভোগ করার জন্যে কোন কিছু দান করে, তাহলে সে যেন তার কথা দ্বারা তার মধ্যে স্বীয় অধিকার তুলে নিল এবং সে বস্তু তারই হবে যার জন্যে দান করা হয়েছে এবং তা হবে তার উত্তরসূরীদের জন্যেও। অবশ্য ইয়াহইয়া তার হাদীসের প্রথম অংশে বলেছেন, যদি কোন ব্যক্তিকে আজীবনের জন্যে দান করা হয়, তবে তা তার ও পরবর্তী উত্তরসূরীদের জন্যে হয়ে যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০৪৪, ইসলামিক সেন্টার)
আবদুর রহমান ইবনু বিশর আবদী (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে কোন ব্যক্তি কাউকে তার সারা জীবনের জন্যে এবং তার সন্তানাদির জন্য দান করে, এরূপ বলে যে, "আমি তোমাকে তা দিলাম এবং তোমার সন্তানদেরকে যতদিন পর্যন্ত তোমাদের মধ্যে কেউ জীবিত থাকে, তবে তা তারই হয়ে যাবে যাকে দান করা হলো। তা তার মালিকের নিকট আর ফিরে আসবে না। কারণ, সে এমনভাবেই দান করেছে যার মধ্যে উত্তরাধিকার প্রবর্তন হয়ে গেছে।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০৪৫, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে আজীবন কালের জন্যে দান রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কার্যকরী বলে গণ্য করেছেন, তা হলো এই যে, সে বলে, "এ তোমার ও তোমার উত্তরাধিকারীদের জন্যে।" কিন্তু সে যদি বলে যে, এ তোমার জন্যে যতদিন তুমি বেঁচে থাকবে, তবে তা তার মালিকের নিকট ফিরে আসবে (প্রদত্ত ব্যক্তির মৃত্যুর পর)। মা'মার বলেন, যুহরী এ ফাতাওয়াই দিতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০৪৬, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। কোন ব্যক্তি এবং তার উত্তরাধীকারীদের উদ্দেশে সারা জীবনের জন্য যা দান করা হয়, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফায়সালা দিয়েছেন যে, সেটি তার জন্যে চিরস্থায়ী হবে। তাতে কোন শর্ত বা ব্যতিক্রম কিছু করা দাতার জন্যে বৈধ নয়। রাবী আবূ সালামাহ্ (রাযিঃ) বলেন, এর কারণ, সে এমনভাবে দান করেছে যার মধ্যে উত্তরাধিকার প্রযোজ্য হয়েছে। তাই মীরাস তার শর্ত কেটে দিয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০৪৭, ইসলামিক সেন্টার)
উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার কাওয়ারীরী (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আজীবনের জন্যে দানটি তারই প্রাপ্য, যাকে তা দান করা হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০৪৮, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পরবর্তী বর্ণনাটি অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০৪৯, ইসলামিক সেন্টার)
আহমাদ ইবনু ইউনুস, যুহায়র, আবূ যুবায়র, জাবির (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০৫০, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... জাবির (রাযিঃ) হতে, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা তোমাদের সম্পত্তি ধরে রেখো, তা বিনষ্ট করো না। নিশ্চয় যে ব্যক্তি সারা জীবনের জন্যে দান করে, তবে তা তারই হয়ে যাবে, যাকে দান করা হলো, জীবিত অবস্থায় ও মৃত অবস্থায় এবং তার পরবর্তী উত্তরাধিকারীদের জন্যে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০৫০, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আবদুল ওয়ারিস ইবনু 'আবদুস সামাদ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, উপরে উল্লিখিত আবূ খাইসামার হাদীসের অর্থানুযায়ী। তবে আইয়্যুবের বর্ণনায় কিছু বাড়তি রয়েছে। তিনি বলেছেন, আনসারগণ মুহাজিরদেরকে আজীবনের জন্যে দান করতেন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা তোমাদের সম্পদ নিজেদের জন্যে সংরক্ষিত রাখো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০৫১, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি ও ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাদীনার জনৈক মহিলা তার একটা বাগান তার এক পুত্রকে আজীবনের জন্যে দান করেন। পরে পুত্রটি মারা যায় এবং তারপরে মহিলাটিও মারা যায়। পুত্র নিজে একটি সন্তান রেখে যায়। আর তার ছিল কয়েকজন ভাই, যারা দানকারিণীর পুত্র। তারপর দানকারিণীর পুত্র বললো, বাগানটি আমাদের কাছে ফিরে এসেছে। আর যাকে দান করা হয়েছিল তার পুত্ররা বললো বরং এ ছিল আমার পিতার, তার জীবদ্দশায় ও মৃত অবস্থায়। এরপর তারা উসমান (রাযিঃ) এর আযাদকৃত গোলাম তারিক (রহঃ) এর নিকট ফায়সালা চাইল। তিনি জাবির (রাযিঃ) কে ডেকে পাঠালেন। জাবির (রাযিঃ) সাক্ষ্য দেন, জীবিতকালীন দান তারই প্রাপ্য, যাকে দান করা হয়েছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ নির্দেশ দিয়েছেন। তারিক তদনুযায়ী ফায়সালা দেন। তারপর তিনি খলীফা 'আবদুল মালিককে এ ঘটনা লিখে জানান এবং জাবিরের সাক্ষ্য দান সম্পর্কেও তাকে অবগত করেন। আবদুল মালিক বলেন, জাবির (রাযিঃ) সত্যই বলেছেন। পরে তারিক (রহঃ) এ হুকুম জারি করেন। কাজেই বাগানটি আজ পর্যন্ত দানকৃত ব্যক্তির বংশধরদের অধিকারে রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০৫২, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণিত জাবির (রাযিঃ) এর হাদীসের প্রেক্ষিতে তারিক (রহঃ) “সারা জীবনের জন্যে দান তার ওয়ারিসরা পাবে বলে ফায়সালা দেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০৫৩, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আজীবনের জন্যে দান বৈধ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০৫৪, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া বিনু হাবীব হারিসী (রহঃ) .... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সারা জীবনের জন্যে দান দানকৃত ব্যক্তির পরিজনের মীরাসে পরিগণিত হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪০৫৫, ইসলামিক সেন্টার)