আবূ তাহির, আহমাদ ইবনু আমর ইবনু সার্হ্ (রহঃ) ...... ফুযালাহ ইবনু উবাদাহ আনসারী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাইবারে অবস্থানকালে তার নিকট গনীমাতের একটি হার উপস্থিত করা হয়। তাতে পুতি ও স্বর্ণ লাগান ছিল। হারটি বিক্রি হচ্ছিল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হারের সাথে যুক্ত স্বর্ণের ব্যাপারে আদেশ দান করেন। অতঃপর কেবল সেটাকেই (স্বর্ণ) আলাদা করা হয়। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে বললেন, স্বর্ণের বদলে স্বর্ণ সমান ওজনে বিক্রি করতে হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৯৩০, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... ফুযালাহ্ ইবনু উবায়দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি খাইবারের যুদ্ধের দিনে বারো দীনার এর বিনিময়ে একটি হার ক্রয় করি। তাতে স্বর্ণ ও পুতি ছিল। এরপর আমি তা আলাদা করলাম এবং বারো দীনারের চেয়ে অধিক পেলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে বিষয়টি আমি উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন, আলাদা না করে বিক্রি করা যাবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৯৩১, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) হতে উক্ত রূপ বর্ণিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৯৩২, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ (রহঃ) ..... ফুযালাহ্ ইবনু উবায়দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা খাইবার দিবসে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম। ইয়াহুদীদের সাথে এক উকিয়া স্বর্ণ দু' বা তিন দীনারের বিনিময়ে ক্রয়-বিক্রয় করতাম। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ স্বর্ণের সমান সমান ওজন ব্যতিরেকে বিক্রি করো না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৯৩৩, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ তাহির (রহঃ) ..... হানাশ (রহঃ) এর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা কোন এক যুদ্ধে ফুযালাহ ইবনু উবায়দের সঙ্গে ছিলাম। আমার ও আমার সাথীদের অংশে একটি হার আসে যার মধ্যে স্বর্ণ, রৌপ্য ও জওহার খচিত ছিল। আমি সেটা খরিদ করে রাখতে ইচ্ছা করলাম। তাই ফুযালাহ ইবনু উবায়দকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, এর স্বর্ণ আলাদা করে এক পাল্লায় রাখ আর তোমার স্বর্ণ অন্য পাল্লায় রাখ এবং পরিমাপে সমান সমান না হলে গ্রহণ করো না। কারণ, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন সমান সমান না হলে গ্রহণ না করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৯৩৪, ইসলামিক সেন্টার)