ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, মুহাম্মাদ ইবনু রুম্হ ও কুতায়বাহ্ (রহঃ) ..... উরওয়াহ ইবনু যুবায়র ও 'আম্রাহ বিনতু আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্ণিত। ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদীনাহ থেকে তার কুরবানীর পশু (মাক্কার (মক্কার) হারামে) পাঠাতেন। আমি তার কুরবানীর পশুর (গলায় বাধার জন্য) মালা তৈরি করে দিতাম। এরপর তিনি এমন কোন জিনিস থেকে বিরত থাকতেন না- যা থেকে ইহরামধারীদের বিরত থাকতে হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৬০, ইসলামীক সেন্টার)
হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে এ সানাদে (উপরোক্ত হাদীসের) অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৬১, ইসলামীক সেন্টার)
সাঈদ ইবনু মানসূর, যুহায়র ইবনু হারব, খালাফ ইবনু হিশাম ও কুতায়বাহ্ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার চোখে সে দৃশ্য ভাসছে- আমি যেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কুরবানীর পশুর (গলায় পরানোর জন্য) মালা তৈরি করে দিচ্ছি। ..... অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৬২, ইসলামীক সেন্টার)
সাঈদ ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার হাত দিয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কুরবানীর পশুর মালা বানিয়ে দিয়েছি। এরপর তিনি কোন জিনিস থেকে বিরত থাকতেন না এবং তা পরিহার করতেন না (যা হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরামধারীকে পরিহার করতে হয়)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৬৩, ইসলামীক সেন্টার)
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ ইবনু কা'নাব (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নিজ হাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কুরবানীর পশুর মালা বানিয়ে দিয়েছি। এরপর তিনি কুরবানীর পশুকে চিহ্নিত করেন ও গলায় মালা বেঁধে দেন। এরপর তিনি বায়তুল্লাহ পাঠিয়ে দেন এবং মাদীনায় অবস্থান করেন। ফলে তার উপর এমন কোন জিনিস হারাম হয়নি যা তার জন্য হালাল ছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৬৪, ইসলামীক সেন্টার)
‘আলী ইবনু হুজুর আস্ সাদী ও ইয়াকুব ইবনু ইবরাহীম আদ দাওরাকী (রহঃ) ...... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কুরবানীর পশু (মাক্কায় (মক্কায়)) পাঠিয়ে দিতেন। আমি নিজ হাতে এর মালা তৈরি করে দিতাম। অতঃপর তিনি এমন কোন জিনিস থেকে বিরত থাকতেন না- যা থেকে কোন ইহরামবিহীন ব্যক্তি বিরত থাকে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৬৫, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... উম্মুল মুমিনীন (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রঙিন পশমের সূতা যা আমাদের কাছে ছিল, তা দিয়ে এ সব মালা তৈরি করেছি। অতঃপর তিনি ভোরবেলা ইহরামবিহীন অবস্থায় উপনীত হন এবং আমাদের কাছে আসেন, ইহরামবিহীন ব্যক্তি নিজ স্ত্রীর সাথে যা করে, তিনিও তাই করেছেন; কিংবা তিনি বলেন, লোকে তার স্ত্রীর কাছে যেভাবে এসে থাকে, তিনিও সেভাবে আসেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৬৬, ইসলামীক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যেন নিজেকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কুরবানীর মেষের জন্য মালা তৈরি দেখতে পাচ্ছি। তিনি তা হারামে পাঠিয়ে দেন এবং আমাদের মাঝে অবস্থান করেন ইহরামবিহীন ব্যক্তির মতো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৬৭, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কুরবানীর পশুর জন্য মালা তৈরি করে দিতাম এবং তিনি তা নিজের কুরবানীর পশুর গলায় পরিয়ে দিতেন, এরপর তা (মাক্কায় (মক্কায়)) পাঠিয়ে দেন। অতঃপর তিনি (মাদীনায়) অবস্থান করতেন এবং এমন কোন কিছু থেকে বিরত থাকতেন না- যা থেকে ইহরামধারী ব্যক্তি বিরত থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৬৮, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ... ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বায়তুল্লাহর হারামে (কুরবানীর উদ্দেশে) ছাগল পাঠান এবং এর গলায় মালা বাঁধেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৬৯, ইসলামীক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা বকরীর গলায় মালা পরিয়ে তা (কুরবানীর উদ্দেশে বায়তুল্লাহয়) পাঠিয়েছি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরামবিহীন অবস্থায় ছিলেন এবং কোন জিনিস তাঁর জন্য হারাম ছিল না (যা মুহরিমের জন্য হারাম)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৭০, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আমারাহ বিনতু আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্ণিত। ইবনু যিয়াদ (রহঃ) আয়িশাহ (রাযিঃ) এর কাছে লিখেন যে, আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বলেনঃ “যে ব্যক্তি (মাক্কার (মক্কার) হারামে) কুরবানীর পশু পাঠায়, হাজীদের জন্য যা করা হারাম তার জন্যও তা করা হারাম যতক্ষণ না ঐ পশু কুরবানী করা হয়। আমি কুরবানীর পশু (হারামে) পাঠিয়েছি। এ ব্যাপারে আপনার অভিমত আমাকে লিখে জানাবেন।" আমরাহ (রহঃ) বলেন, ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেন, ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) যেভাবে বলেছেন, ব্যাপারটি তা নয়। আমি নিজ হাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কুরবানীর পশুর (গলায় বাঁধার) জন্য মালা তৈরি করে দিয়েছি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ হাতে তা পশুর গলায় বেঁধেছেন, অতঃপর আমার পিতার মাধ্যমে তা (হারাম শরীফ) পাঠিয়েছেন। কিন্তু এর ফলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর এমন কোন জিনিস হারাম হয়নি- যা আল্লাহ তা'আলা তার জন্য হালাল করেছেন। অতঃপর পশু কুরবানী করা হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৭১, ইসলামীক সেন্টার)
সাঈদ ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ্ (রাযিঃ) কে পর্দার আড়াল থেকে হাত তালি দিয়ে বলতে শুনেছিঃ আমি নিজ হাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কুরবানীর পশুর জন্য মালা তৈরি করে দিতাম। অতঃপর তিনি (তার) কুরবানীর পশু (মাক্কায় (মক্কায়)) পাঠিয়ে দিতেন। কিন্তু পশু কুরবানী হওয়ার সময় পর্যন্ত তিনি এমন কোন জিনিস থেকে বিরত থাকতেন না যা থেকে সাধারণত ইহরামধারী ব্যক্তিগণ বিরত থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৭২, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩০৭৩, ইসলামীক সেন্টার)