Sahih Muslim
1290.01

আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ ইবনু কা'নাব (রহঃ) ..... ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাওদাহ (রাযিঃ) মুযদালিফার রাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আগেই এবং রাস্তায় জনতার ভিড় হবার পূর্বেই মিনার উদেশে যাত্রার জন্য তাঁর নিকট অনুমতি প্রার্থনা করেন। তিনি ছিলেন স্থূলদেহী। (অধঃস্তন রাবী) আল-কাসিম বলেন, الثَّبِطَةُ শব্দের অর্থ الثَّقِيلَةُ (ভারী)। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে অনুমতি দিলেন। অতএব তিনি তার আগেই রওনা হয়ে গেলেন এবং আমরা ফাজর (ফজর) পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করলাম। তারপর আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে রওনা হলাম। আমিও যদি সাওদাহ (রাযিঃ) এর মতো রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট অনুমতি নিয়ে আগে ভাগে চলে যেতাম, তবে তা আরও আনন্দদায়ক হতো- যে আনন্দ এখন আমি অনুভব করছি, তার তুলনায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৮৪, ইসলামীক সেন্টার)

1290.02

ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাওদাহ (রাযিঃ) ছিলেন ভারী ও স্থূলদেহী। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট মুযদালিফাহ্ থেকে রাত থাকতেই প্রস্থান করার অনুমতি চাইলেন। তিনি তাকে অনুমতি দিলেন। আয়িশাহ (রাযিঃ) আরও বলেন, হায়! যদি সাওদাহ্ (রাযিঃ) এর মতো রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আমিও অনুমতি প্রার্থনা করতাম! আয়িশাহ (রাযিঃ) ইমামের সাথে মুযদালিফাহ্ হতে রওনা হতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৮৫, ইসলামীক সেন্টার)

1290.03

ইবনু নুমায়র (রহঃ) ...... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আকাঙ্ক্ষা করেছিলাম আমিও যদি সাওদাহ (রাযিঃ) এর অনুরূপ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট অনুমতি প্রার্থনা করতাম। তিনি মিনায় পৌছে ফজরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করেন এবং লোকদের পৌছার পূর্বেই জামরায় পাথর নিক্ষেপ করেন। আয়িশাহ (রাযিঃ) কে বলা হল, সাওদাহ (রাযিঃ) কি তার নিকট অনুমতি চেয়েছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তিনি ছিলেন স্থূলদেহী এবং ভারী, তাই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট অনুমতি চেয়েছিলেন এবং তিনি তাকে অনুমতি দিয়েছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৮৬, ইসলামীক সেন্টার)

1290.04

আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... ‘আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (রহঃ) থেকে এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৮৭, ইসলামীক সেন্টার)