আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... আবূল বাখতারী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমরা উমরাহ করার জন্য বের হলাম। যখন আমরা (মাক্কাহ (মক্কা) ও ত্বায়িফের মাঝামাঝি অবস্থিত) “বাত্বনে নাখলাহ" নামক স্থানে অবতরণ করলাম সকলে মিলে চাঁদ দেখতে লাগলাম। লোকেদের মধ্যে কেউ কেউ বলল, এ তো তিনদিনের চাঁদ, আবার কেউ বলল দু'দিনের। বর্ণনাকারী বলেন, পরে আমরা ইবনু “আব্বাস (রাযিঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ করে বললাম, আমরা চাঁদ দেখেছি। কিন্তু লোকেদের মধ্যে কেউ কেউ বলেছে, এতো দু'দিনের চাঁদ আবার কেউ কেউ বলেছে এতো তিন দিনের চাঁদ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা কোন রাতে চাঁদ দেখেছে? আমরা বললাম, অমুক দিন, অমুক রাতে। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেদিন রাতে চাঁদ দেখতেন ঐ দিনেরই তারিখ ধরতেন। সুতরাং চাঁদ সে রাতেই উঠেছে যে রাতে তোমরা দেখেছো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৯৬, ইসলামীক সেন্টার)
Sahih MuslimHadith 1088 (2 narrations)
1088.01
1088.02
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, ইবনুল মুসান্না ও ইবনুল বাশশার (রহঃ) ...... আবূল বাখতারী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, “আমরা যখন যাতু ইরক নামক স্থানে অবস্থান করছিলাম তখন রমযানের চাঁদ দেখতে পেলাম। অতঃপর আমরা এক ব্যক্তিকে ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর কাছে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য পাঠালাম। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা'আলা চাঁদ দেখার সাথে মাস নির্ধারণ করেছেন, যদি তোমাদের নিকট অপ্রকাশিত থাকে (মেঘের কারণে) তাহলে তোমরা (ত্রিশ দিনে) মাস পূর্ণ কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৯৭, ইসলামীক সেন্টার)