যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! কোন ধরনের সদাকাহ্ বা দান সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেন, তুমি এমন অবস্থায় দান করবে, যখন তুমি সুস্থ-সবল, সম্পদের প্রতি আকর্ষণ প্রদর্শনকারী, দারিদ্র্যকে ভয়কারী ও এবং ঐশ্বর্যের আকাঙ্ক্ষাকারী। আর (সদাকাহ্ প্রদানে) বিলম্ব করবে না জীবনের অন্তিম মুহূর্ত পর্যন্ত বিলম্ব করে প্রাণ কণ্ঠনালী পর্যন্ত এসে গেলে তখন তুমি বলবে, এটা অমুকের ওটা অমুকের- এরূপ ঠিক নয়। তখন তো এগুলো অমুকের হয়েই যাচ্ছে। অর্থাৎ তোমার মরার সাথে সাথে উত্তরাধিকারীগণ নিয়ে নিবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২২৫১, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল! কোন ধরনের দানে বিরাট সাওয়াবের অধিকারী হওয়া যায়? তিনি বললেনঃ জেনে রাখ, তোমার পিতার শপথ। (আমি অবশ্য তোমাকে জানাচ্ছি) তুমি সুস্থ, সবল ও অনুরক্ত অবস্থায় দান করবে যে, তুমি দারিদ্র্যকে ভয় কর এবং ধনী হওয়ার বাসনা রাখ। আর দানের ব্যাপারে জীবন বায়ু কণ্ঠনালী আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করো না যে, তখন বলতে থাকবে অমুকের জন্য এটা, অমুকের জন্য ওটা। বরং তখন তো এসব অমুকের হয়েই যাবে। (অর্থাৎ তোমার আর দান করার প্রয়োজন হবে না বরং তোমার মৃত্যুর পর এ সব উত্তরাধিকারীগণ নিয়ে নিবে)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২২৫২, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ কামিল আল জাহদারী (রহঃ) .... 'উমারাহ ইবনুল ক্বা-ক্বা (রহঃ) থেকে এ সূত্রেও জারীর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তবে তিনিأَىُّ الصَّدَقَةِ أَعْظَمُ এর স্থলেأَىُّ الصَّدَقَةِ أَفْضَلُ বলেছেন। এ সূত্রে বলা হয়েছেঃ কোন ধরনের দান-খয়রাত সর্বোত্তম? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২২৫৩, ইসলামীক সেন্টার ২২৫৩[ক)