সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ এক ব্যক্তি বলল, আমি আজ রাতে কিছু দান-খয়রাত করব। অতঃপর সে সদাকাহ নিয়ে বের হয়ে এক যিনাকারীকে তা অর্পণ করল। ভোরে লোকেরা বলাবলি করতে লাগল যে, আজ রাতে এক ব্যক্তি যিনাকারীকে দান-খয়রাত করেছে। অতঃপর সে ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহ! সকল প্রশংসা তোমার জন্য। আমার প্রদত্ত সদাকাহ তো যিনাকারীর হাতে গিয়ে পড়েছে। এরপর সে (আবার) বলল, আজ আমি আরো কিছু সদাকাহ করব। অতঃপর সে তা নিয়ে বের হয়ে এক ধনী লোকের হাতে অর্পণ করল। লোকজন ভোরে আলাপ করতে লাগল যে, আজ রাতে কে যেন এক ধনী লোককে সদাকাহ দিয়ে গেছে। সে বলল, হে আল্লাহ! সকল প্রশংসা তোমার জন্য। আমার সদাকাহ তো ধনীর হাতে গিয়ে পড়েছে। তারপর সে পুনরায় বলল, আমি আজ রাতে কিছু সদাকাহ দিব। সদাকাহ নিয়ে বের হয়ে সে এক চোরের হাতে অৰ্পণ করল। অতঃপর সকালে লোকজন বলাবলি করতে লাগল। আজ রাতে কে যেন চোরকে সদাকাহ দিয়েছে। সে বলল, হে আল্লাহ! সকল প্রশংসা তোমারই। আমার প্রদত্ত সদাকাহ যিনাকারী, ধনী ও চোরের হাতে পড়ে গেছে। অতঃপর এক ব্যক্তি (মালাক বা সে যুগের কোন নবী) এসে তাকে বলল, তোমার প্রদত্ত সকল সদাকাহ্ই কবুল হয়েছে। যিনাকারীকে দেয়া সদাকাহ কবুল হওয়ার কারণ হলো- সম্ভবতঃ সে ঐ রাতে যিনা থেকে বিরত ছিল (কেননা সে পেটের জ্বালায় এ কাজ করত) ধনী ব্যক্তিকে যে সদাকাহ দেয়া হয়েছিল তা কবুল হওয়ার কারণ হলো ধনী ব্যক্তি এতে লজ্জিত হয়ে হয়ত নাসীহাত গ্রহণ করেছে এবং আল্লাহর দেয়া সম্পদ থেকে সেও দান করবে বলে সঙ্কল্প করেছে। আর চোরকে দেয়া সদাকাহ কবুল হওয়ার কারণ হলো সম্ভবতঃ সে ঐ রাতে চুরি থেকে বিরত ছিল। কেননা সেও পেটের তাগিদে চুরি করত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২২৩১, ইসলামীক সেন্টার)
Sahih MuslimHadith 1022
1022