যুহায়র ইবনু হারব, আবদ ইবনু হুমায়দ ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান দারিমী (রহঃ) ..... আবূ বকর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের মস্তিষ্কের উপর মুশরিকদের পা লক্ষ্য করলাম। তখন আমরা গুহায় ছিলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! এদের কেউ যদি নিজের পায়ের দিকে তাকায় তাহলে পায়ের তলায়ই আমাদের দেখতে পাবে। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আবূ বাকর! তুমি এ দু’জন সম্বন্ধে কি মনে করো যাদের সঙ্গে আল্লাহ তৃতীয় জন হিসেবে রয়েছেন? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯৫৩, ইসলামিক সেন্টার)
আবদুল্লাহ ইবনু জাফার ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু খালিদ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বারের উপর বসে বললেন, একজন বান্দাকে আল্লাহ তা'আলা দুটি বিষয়ের মাঝে ইখতিয়ার (স্বাধীনতা) দিয়েছেন যে, (১) দুনিয়ার সম্পদ (প্রাচুর্য) দান করা, (২) এবং তার নিজস্ব অবস্থায় বহাল থাকা। সুতরাং এ বান্দা আল্লাহর নিকট যা আছে তা বেছে নিলেন। এ কথা শুনে আবূ বাকর (রাযিঃ) কান্নাকাটি করতে লাগলেন এবং বললেন, আমাদের পিতৃপুরুষ আপনার জন্য উৎসর্গকৃত হোক। ইখতিয়ারপ্রাপ্ত এ বান্দাটি ছিলেন স্বয়ং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ ব্যাপারে আবূ বাকরই আমাদের মধ্যে সবচেয়ে জ্ঞানী ছিলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উপর সর্বাধিক অনুগ্রহ আবূ বাকরের- সম্পদের ও সঙ্গ দানেও। আমি যদি কাউকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলে গ্রহণ করতাম তাহলে আবূ বকরকেই করতাম। এখন তো ইসলামী ভ্রাতৃত্বই রয়েছে। মসজিদের চতুস্পার্শে প্রবেশপথ যেন বন্ধ থাকে, শুধু আবূ বাকরের দ্বার উন্মুক্ত থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯৫৪, ইসলামিক সেন্টার)
সাঈদ ইবনু মানসুর (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষদের সম্মুখে বক্তৃতা দিলেন ..... তারপর মালিক (রহঃ) এর হাদীসের অবিকল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯৫৫, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু বাশ্শার আল-আবদী (রহঃ) .... 'আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি যদি বন্ধু বানাতাম তাহলে আবূ বাকরকেই বন্ধু হিসেবে অগ্রাধিকার দিতাম। তবে তিনি আমার ভাই এবং আমার সঙ্গী আর তোমাদের সঙ্গীকে আল্লাহ তা’আলা বন্ধু বানিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯৫৬, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মাতের মাঝখান হতে কাউকে যদি আমি বন্ধু বানাতাম তাহলে আবূ বাকরকেই বন্ধু বানাতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯৫৭, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি আমি কোন বন্ধু গ্রহণ করতাম তবে আবূ কুহাফার পুত্রকেই গ্রহণ করতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯৫৮, ইসলামিক সেন্টার, নেই)
উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ্, যুহায়র ইবনু হারব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) হতে রিওয়ায়াত করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুনিয়ার কাউকে যদি আমি ঘনিষ্ঠ বন্ধু বানাতাম তবে আবূ কুহাফার পুত্রকেই বন্ধু বানাতাম; কিন্তু তোমাদের সঙ্গী আল্লাহর বন্ধু। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯৫৯, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জেনে রাখো! কারো সাথে আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব নেই, যদি কাউকে বন্ধু বানাতাম তবে আবূ বাকরকেই বানাতাম। তোমাদের সঙ্গী আল্লাহর ঘনিষ্ঠ বন্ধু। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯৬০, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে যাতুস সালাসিলের সেনা বাহিনীর সঙ্গে পাঠালেন, তখন আমি রসূলের নিকট এসে বললাম, আপনার নিকট সর্বাধিক পছন্দনীয় ব্যক্তি কে? তিনি বললেন, ‘আয়িশাহ। আমি বললাম, পুরুষদের মাঝে কে? তিনি বললেনঃ ‘আয়িশাহর পিতা (আবূ বাকর)। আমি বললাম, তারপর? তিনি বললেনঃ উমার। তারপর তিনি আরো কিছু সংখ্যক ব্যক্তির নাম বর্ণনা করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯৬১, ইসলামিক সেন্টার)
আল-হাসান ইবনু আলী আল-হুলওয়ানী (রহঃ) ..... ইবনু আবূ মুলাইকাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে শুনেছি, তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি কাউকে খলীফা বা প্রতিনিধি বানাতেন তাহলে কাকে নিযুক্ত করতেন? আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বললেন, আবূ বাকরকে জিজ্ঞেস করা হলো, আবূ বাকরের পর কাকে? বললেন, উমারকে। (পুনরায়) জিজ্ঞেস করা হলো, উমারের পর কাকে? তিনি বললেন, আবূ উবাইদাহ ইবনুল জাররাহকে- এটুকু বলেই তিনি সমাপ্তি করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯৬২, ইসলামিক সেন্টার)