Sahih Muslim
1079.01

ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব, কুতায়বাহ ও ইবনু হুজুর (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রমযান মাস আসলে জান্নাতের দরজাসমূহ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শাইতানগুলোকে শিকলে বন্দী করা হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৬২, ইসলামীক সেন্টার)

1079.02

হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রমযান মাস উপস্থিত হলে রহমতের দরজাসমূহ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শাইতানগুলোকে শিকলে আবদ্ধ করা হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৬৩, ইসলামীক সেন্টার)

1079.03

মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ও আল হুলওয়ানী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন রমযান মাস আসে ..... এরপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৬৪, ইসলামীক সেন্টার)

1080.01

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযান মাস প্রসঙ্গে আলোচনা করলেন। তিনি বললেন, তোমরা (রমাযানের) চাঁদ না দেখে রোযা শুরু করবে না এবং চাঁদ (শাওওয়াল মাসের চাঁদ) না দেখা পর্যন্ত ইফতারও করো না। আর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে ত্রিশদিন পূর্ণ কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৬৫, ইসলামীক সেন্টার)

1080.02

আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযান সম্পর্কে আলোচনা করলেন। তিনি এক হাতের উপর অন্য হাত মেরে (ইঙ্গিত করে) বললেন, মাস এ রকম, এ রকম এবং তৃতীয়বারে বুড়ো আঙ্গুলটি বন্ধ করে হাত মারলেন (অর্থাৎ মাস উনত্রিশ দিনে)। তিনি পুনরায় বললেন, তোমরা চাঁদ দেখে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন কর এবং চাঁদ দেখে ইফত্বার কর (অর্থাৎ ঈদ কর)। আর যদি আকাশ মেঘে ঢাকা থাকে তাহলে মাসের ত্রিশ দিন পূর্ণ কর।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৬৬, ইসলামীক সেন্টার)

1080.03

ইবনু নুমায়র (রহঃ) ... উবায়দুল্লাহ থেকে এ সূত্রেও আবূ উসামাহ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এতে আছেঃ মাস এরূপ, এরূপ এবং এরূপ। তিনি আরো বলেন, যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে তাহলে ত্রিশদিন পূর্ণ কর। হাদীসটি আবূ উসামাহ্ কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৬৭, ইসলামীক সেন্টার)

1080.04

উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... উবায়দুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমাযান মাসের কথা আলোচনা করে বললেন, মাস উনত্রিশ দিনেও হয়। এ সময় তিনি তার হস্তদ্বয়ের আঙ্গুল দ্বারা ইঙ্গিত করে বললেন, মাস এতো দিনে হয়, মাস এতো দিনে হয়। তারপর বললেন, তোমরা পূর্ণ কর। কিন্তু ত্রিশ দিনের কথা উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৬৮, ইসলামীক সেন্টার)

1080.05

যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... উবায়দুল্লাহ (রহঃ) থেকে এ সূত্রেও উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযান মাস সম্পর্কে আলোচনা প্রসঙ্গে বলেনঃ মাস (কোন কোন সময়) উনত্রিশ দিনেও হয়ে থাকে। মাস এরূপ, এরূপ এবং এরূপ। তিনি পুনরায় বলেন, মাস গণনা কর। কিন্তু তিনি ত্রিশ দিনের কথা বলেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৬৯, ইসলামীক সেন্টার)

1080.06

হুমায়দ ইবনু মাস আদাহ্ আল বাহিলী (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সাধারণত মাস উনত্রিশ দিনে হয়ে থাকে। তাই (রমাযানের) চাঁদ না দেখে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করো না এবং ইফতারও করো না। আর আকাশ মেঘে ঢাকা থাকলে মাসের ত্রিশদিন পূর্ণ কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৭০, ইসলামীক সেন্টার)

1080.07

হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মাস উনত্রিশ দিনে হয়ে থাকে। তাই তোমরা নতুন চাঁদ দেখে সিয়াম (রোজা/রোযা) রাখা শুরু কর এবং নতুন চাঁদ (শাওয়ালের চাঁদ) দেখে ইফত্বার কর (ঈদ কর)। আর আকাশ মেঘে ঢাকা থাকলে মাসের ত্রিশ দিন পূর্ণ কর।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৭১, ইসলামীক সেন্টার)

Previous section
Page 1 of 29
Next section