রেওয়ায়ত ১৬৭. মালিক (রহঃ) কতিপয় আলিমের নিকট শুনিয়াছেন- স্বামী-স্ত্রী কুরবানীতে একই উটে শরীক হইবে না। প্রত্যেকেরই আলাদা উট কুরবানী করা উচিত। মালিক (রহঃ)-এর নিকট জিজ্ঞাসা করা হইয়াছিলঃ হজ্জের সময় নাহর করার জন্য যদি কাহারও সঙ্গে মক্কায় হাদয়ী পাঠাইয়া দেয় আর সে নিজে উমরার ইহরাম বাধিয়া আসে তবে উমরা শেষ হইতেই সে ঐ হাদয়ীটি ‘নাহর’ করিতে পারিবে কি অথবা উহা নাহর করার জন্য হজ্জ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সে কি অপেক্ষা করিবে? তিনি উত্তরে বলিলেনঃ উমরা করিয়া সে ইহরাম খুলিয়া ফেলিবে এবং কুরবানীর জন্য হজ্জ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করিবে এবং ইয়াওমুন-নাহরের সময় উহাকে সে 'নাহর করিবে এবং এই কুরবানীকে তাহার উমরারই অংশবিশেষ জানিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইহরাম অবস্থায় শিকার করার কারণে বা অন্য কোন কারণে যদি কাহারও উপর কুরবানী করা ওয়াজিব হইয়া যায়, তবে উহাকে মক্কায় নিয়া আসা উচিত। কারণ আল্লাহ্ তা'আলা ইরশাদ করেনঃ (هَدْيًا بَالِغَ الْكَعْبَةِ) ‘এমন হাদয়ী যাহা কাবায় পৌছায়’। শিকার করার কারণে বা কুরবানীর পরিবর্তে রোযা বা সাদকা করিতে হইলে তাহার ইখতিয়ার থাকিবে হারম্ বা হারম্ এর বাহিরে যেকোন স্থানে ইচ্ছা সে উহা করিতে পারিবে।
Muwatta MalikHadith 871
871
Mauquf Sahih