রেওয়ায়ত ১৩২. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন- তিনি বলিয়াছেন, আমি উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাঃ)-কে বললাম (তখন আমি অল্প বয়স্ক), দেখুন, আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করিয়াছেনঃ (إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ) সুতরাং যে কেউ বাইতুল্লাহর হজ্জ বা উমরা করিবে তাহার জন্য এই দুইটির মধ্যে সায়ী করায় কোন গুনাহ নাই- তাই কেউ যদি সায়ী না করে তবে ইহাতে তাহার গুনাহ হইবে কি? তিনি বলিলেনঃ সাবধান, তুমি যাহা বুঝিয়াছ তাহা ঠিক নহে। তাহাই যদি হইত তবে আয়াতে বলার ভঙ্গী হইত- এই দুইয়ের মধ্যে সায়ী না করায় কোন গুনাহ নাই। (অথচ আল্লাহ্ তা'আলা বলিয়াছেনঃ সায়ী করায় কোন গুনাহ নাই।) এই আয়াতটি মূলত আনসারদের ব্যাপারে নাযিল হইয়াছিল। ইহারা জাহিলী যুগে মানাতের উদ্দেশ্যে ইহরাম বাধিয়া হজ্জের নিয়তে আসিত। মক্কার পথে কুদায়দ নামক স্থানের বিপরীতে ছিল ওদের দেবী মানাত। সাফা-মারওয়ায় সায়ী করা তাহারা মনে করিত গুনাহর কাজ। ইসলাম আসার পর তাহারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এই সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, তখন নাযিল হয় এই আয়াতঃ إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا অর্থাৎ, সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। সুতরাং যে কেহ কাবা গৃহের হজ্জ কিংবা উমরা সম্পন্ন করে এই দুইটির মধ্যে যাতায়াত করিলে তাহার কোন পাপ নাই। (বাকারাঃ)
Muwatta MalikHadith 830
830
Mauquf Sahih