Muwatta Malik
447
Sahih

রেওয়ায়ত ৩. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, একজন ইহুদী রমণী তাহার নিকট ভিক্ষা করিতে আসিল এবং তাঁহাকে, أَعَاذَكِ اللَّهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ (আল্লাহ্ আপনাকে কবরের আযাব হইতে রক্ষা করুন) বলিয়া দু'আ করিল। তারপর আয়েশা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রশ্ন করিলেনঃ কবরে লোকদিগকে আযাব দেওয়া হইবে কি? (উত্তরে) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ আমি উহা হইতে আল্লাহর শরণ লইতেছি। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন সওয়ারীর পৃষ্ঠে আরোহণ করিলেন। তারপর সূর্যগ্ৰহণ লাগিয়াছে; তিনি চাশতের সময় প্রত্যাবর্তন করিলেন এবং উম্মাহাতুল মু'মিনীনের হুজরাসমূহের পিছন দিকে দাঁড়াইলেন, তারপর তিনি নামাযে দাঁড়াইয়া গেলেন, লোকজনও তাহার পিছনে দাঁড়াইয়া গেল। তারপর তিনি নামাযে দীর্ঘ সময় দাঁড়াইলেন, অতঃপর রুকু করিলেন, দীর্ঘ রুকু, তারপর মাথা তুলিলেন এবং দীর্ঘক্ষণ দাঁড়াইলেন, কিন্তু ইহা ছিল প্রথমবার দাঁড়ানো হইতে কম দীর্ঘ। তারপর রুকূ করিলেন অনেক দীর্ঘ, কিন্তু প্রথম রুকু অপেক্ষা কম। তারপর রুকু হইতে মাথা তুলিলেন এবং সিজদা করিলেন, তারপর দীর্ঘসময় দাঁড়াইলেন; কিন্তু ইহা ছিল পূর্বের দাঁড়ানো অপেক্ষা কম দীর্ঘ। অতঃপর দীর্ঘ রুকু করিলেন, কিন্তু সাবেক রুকু অপেক্ষা কম। তারপর মাথা উঠাইলেন এবং দীর্ঘক্ষণ দাঁড়াইলেন, কিন্তু প্রথম দাঁড়ানো অপেক্ষা কম। তারপর লম্বা রুকূ করিলেন, আর ইহা ছিল পূর্বের রুকু অপেক্ষা কম। তারপর মাথা তুলিলেন এবং সিজদা করিলেন, তারপর নামায সমাপ্ত করিলেন। তারপর যাহা ইচ্ছা নসীহত করিলেন। অতঃপর সকলকে কবর আযাব হইতে আল্লাহর শরণ লইবার নির্দেশ দিলেন।