রেওয়ায়ত ১. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময়ে একবার সূর্যগ্ৰহণ হইল। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের লইয়া নামায পড়িলেন, তিনি নামাযে দাঁড়াইলেন এবং দীর্ঘক্ষণ দাঁড়াইলেন। অতঃপর রুকু করিলেন- অনেক দীর্ঘ রুকু। তারপর দাঁড়াইলেন দীর্ঘক্ষণ; কিন্তু প্রথম দাড়ানো আপেক্ষা কম, তারপর রুকু করিলেন; রুকূকে দীর্ঘ করিলেন; তবে ইহা ছিল পূর্বের রুকু অপেক্ষা কম। তারপর পবিত্র শির উঠাইলেন এবং সিজদা করিলেন। অতঃপর দ্বিতীয় রাক’আতেও প্রথম রাকাআতের মত কার্যাদি সম্পন্ন করিলেন; তারপর নামায সমাপ্ত করিলেন। এতক্ষণে সূর্য দীপ্যমান ও উজ্জ্বল হইয়া গিয়াছে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের উদ্দেশ্যে খুতবা প্রদান করিলেন। তিনি (খুতবার প্রথমে) আল্লাহর প্রশংসা ও হামদ বর্ণনা করিলেন এবং বলিলেনঃ সূর্য ও চন্দ্র আল্লাহর কুদরতের নিদর্শনসমূহের মধ্যে দুইটি নিদর্শন। কোন ব্যক্তির মৃত্যু অথবা জন্মের কারণে উহাদের গ্রহণ হয় না। যখন তোমরা উহা দেখিতে পাও, তখন আল্লাহর নিকট দুআ করবে এবং আল্লাহর তকবীর উচ্চারণ করবে আর সদকা প্রদান করবে। অতঃপর ফরমাইলেনঃ হে উম্মতে মুহাম্মদী। আল্লাহর কসম, তিনি অপেক্ষা অধিক অভিমানী বা ঘৃণাকারী আর কেউ নাই। (আল্লাহ ইহাকে অতি ঘৃণা করেন যে, তাহার কোন বান্দা বা কোন বান্দী ব্যভিচারে লিপ্ত হউক।) হে উম্মতে মুহাম্মদী আল্লাহর কসম, যদি তোমরা অবগত হইতে, যাহা আমি অবগত আছি,তাহা হইলে নিশ্চয় তোমরা কম হাসিতে ও অধিক কাঁদিতে।
Muwatta MalikHadith 445
445
Sahih