সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বলতেন, তিন ভাগের এক পর্যন্ত পুরুষ স্ত্রী উভয়ের দিয়াত সমান। যেমন দিয়াত সাব্যস্ত করার করার ব্যাপারে স্ত্রীলোকের অঙ্গুলি পুরুষের অঙ্গুলির মতো, স্ত্রীলোকের দাত পুরুষের দাতের মতো। স্ত্রীদের মাওযেহা (ঐ যখম যাহাতে হাড় দেখা যায়) পুরুষদের মাওযেহার মতো, অনুরূপভাবে স্ত্রীলোকের মুনকিলাহ (ঐ যখন যাহাতে হাড় স্থানচ্যুত হইয়া যায়) পুরুষের মুনকিলাহর মতো। ইবন শিহাব ও উরওয়া ইবন যুবাইর (রহঃ) স্ত্রীদের ব্যাপারে সাঈদ ইবন মুসায়্যাবের মতো বলতেন যে, স্ত্রীগণ তিন ভাগের একভাগ দিয়াত পর্যন্ত পুরুষদের মতো হইবে, অতঃপর পুরুষদের অর্ধ দিয়াতের সমপরিমাণ হইবে। ইবন শিহাব (রহঃ) বলিতেন, এই নিয়ম চলিয়া আসিয়াছে যে, যদি পুরুষ নিজের স্ত্রীকে আঘাত দ্বারা ক্ষতি করিয়া দেয়, তবে তাহা হইতে দিয়াত লওয়া হইবে, কিন্তু কিসাস হইবে না। মালিক (রহঃ) বলেন, এই ব্যবস্থা তখনই হইবে যখন পুরুষ ভুলে ক্ষত করে। যদি ইচ্ছাকৃতভাবে এইরূপ করে তবে কিসাস অনিবার্য দেয় হইবে। মালিক (রহঃ) বলেন, যে স্ত্রীলোকের স্বামী বা সন্তান তাহার সম্প্রদায়ের না হয় সেই স্ত্রীলোক স্ত্রীলোকদের অপরাধের দিয়াতে শরীক হইবে না। এইরূপে তাহার বাচ্চা ও বৈমাত্রেয় ভাই যখন ভিন্ন গোত্রের হইবে সেও দিয়াতে শরীক হইবে না। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের সময় হইতে আজ পর্যন্ত সমগোত্রের উপরই দিয়াত হইয়া থাকে। কিন্তু মীরাসে সন্তান ও বৈমাত্রেয় ভাই মালিক হইবে। যেমন স্ত্রীলোকের মুক্ত দাসের মীরাস তাহার সন্তানকে দেওয়া হইবে যদিও তাহার গোত্রের না হয়। কিন্তু তাহাদের অপরাধের দিয়াত স্ত্রীর স্বগোত্রের উপর বর্তাইবে।
Muwatta MalikHadith 1560
1560
Maqtu Sahih