। হিশাম ইবনে ইরওয়া (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে অবহিত করে বলেছেন, আমি আয়েশা (রাঃ) -কে বললাম, আমি যদি সাফা ও মারওয়ার মাঝে সাঈ না করি তবে তা আমার জন্য দূষণীয় মনে করি না। তিনি বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ বলেছেনঃ ‘‘সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত। অতএব যে কেউ কাবা ঘরের হজ্জ অথবা উমরা সম্পন্ন করে, এই দু’টির মধ্যে সাঈ করলে তার কোন পাপ নেই।’’ (সূরা বাকারাঃ ১৫৮)। আয়েশা (রাঃ) বলেন, তুমি যেরূপ বুঝেছ যদি তাই হতো তবে এভাবে বলা হতোঃ ‘‘তবে এ দু’টির মধ্যে সাঈ না করলে তার কোন গুনাহ নেই’’। উপরোক্ত আয়াত আনসার সম্প্রদায়ের কতক লোকের সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। তারা যখন ইহরাম বাঁধতো (জাহিলী যুগে) মানাত দেবতার উদ্দেশে বাঁধতো। তাই সাফা ও মারওয়ার মাঝে সাঈ করা (তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী) তাদের জন্য হালাল ছিলো না। তারা (ইসলামোত্তর যুগে) মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে হজ্জ করতে এসে বিষয়টি তাঁর সামনে উত্থাপন করলে তখন আল্লাহ তা‘আলা উপরোক্ত আয়াত নাযিল করেন। (আয়েশা (রাঃ) বলেন) আমার জীবনের শপথ! যে ব্যক্তি হজ্জ করতে এসে সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করবে না মহান আল্লাহ তার হজ্জ পূর্ণ করবেন না।
Sunan Ibn MajahHadith 2986
2986
Sahih+2
SahihAl-Albani
SahihMuhammad Fouad Abd al-Baqi