। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যাক্তি আল্লাহ্র নামের যিকিরের জন্য একটি মাসজিদ নির্মাণ করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি প্রাসা’দ তৈরি করেন।
। উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যাক্তি আল্লাহ্র জন্য একটি মাসজিদ নির্মাণ করে, আল্লাহ অনুরূপভাবে তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করেন।
। আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি নিজ সম্পদ ব্যয়ে আল্লাহ্র জন্য একটি মাসজিদ নির্মাণ করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করেন।
। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যাক্তি আল্লাহ্র জন্য টিড্ডির ঢিবির ন্যায় বা তার চাইতেও ক্ষুদ্র একটি মাসজিদ নির্মাণ করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করেন।
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যতক্ষণ পর্যন্ত লোকেরা মসজিদের সৌন্দর্য ও সুসজ্জিতকরণ নিয়ে পরস্পর গর্ব না করবে ততক্ষণ ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) সংঘটিত হবে না।
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার মনে হয়, তোমরা আমার পরে তোমাদের মাসজিদসমূহকে ইহূদীদের সিনাগগ ও নাসারাদের গির্যার ন্যায় বিশালাকার প্রাসা’দরূপে তৈরি করবে।
। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন জাতির মাসজিদসমূহকে সোনা-ও রূপা খচিত করা কত মন্দ কাজ
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসসাল্লাম-এর মসজিদের স্থানটি ছিল নাজ্জার গোত্রের, সেখানে কিছু সংখ্যক খেজুর গাছ এবং মুশরিকদের কবর ছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বলেনঃ তোমরা এই জমিখন্ড আমার নিকট বিক্রয় করো। তারা বলেন, আমরা কখনো এর বিনিময় মূল্য গ্রহণ করবো না। রাবী বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু করেন এবং সাহাবীগণ তাঁকে মাটি ও কাদা দিতে থাকেন। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতে থাকেনঃ আখেরাতের জীবনই প্রকৃত জীবন। আপনি আনসার ও মুহাজিরদের ক্ষমা করুন। ইতোপূর্বে যেখানেই সালাতের ওয়াক্ত হয়ে যেতো, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানেই সালাত আদায় করতেন।
। উসমান ইবনু আবূল আস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে তায়েফবাসীদের জন্য তাদের মূর্তির পাদপিঠে মসজিদে নির্মাণের নির্দেশ দেন।
। ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তাকে ময়লা-আবর্জনা ফেলার স্থান সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর বরাতে বলেন, কয়েকবার পানি ঢেলে দেয়ার পর তথায় সালাত পড়া যাবে।