ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ)-কে কুরআন পড়াতাম। ‘উমার (রাঃ) যখন তার শেষ হাজ্জ পালন করতে আসলেন, তখন ‘আবদুর রহমান (রাঃ) মিনায় আমাকে বললেন, তুমি আজ আমীরুল মু’মিনীনের কাছে থাকলে দেখতে পেতে যে, তাঁর কাছে এক লোক এসে বলল, এক লোক বলেছে, যদি আমীরুল মু’মিনীন মারা যেতেন, তাহলে আমরা অমুক লোকের হাতে বায়‘আত নিতে পারতাম। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আজ বিকেলে অবশ্য অবশ্যই দাঁড়িয়ে আমি তাদেরকে সতর্ক করব, যারা মুসলিমদের হক ছিনিয়ে নিতে চায়। আমি বললাম, আপনি এমনটি করবেন না। কেননা, এখন হাজ্জের মৌসুম। এখন সাধারণ মানুষের সমবেত হওয়ার সময়। তারা আপনার মজলিসকে কাবু করে ফেলবে। আমার ভয় হচ্ছে যে, তারা আপনার বক্তব্য সঠিকভাবে বুঝতে পারবে না। হের-ফের করে চারদিকে রটিয়ে দেবে। বরং আপনি হিজরত ও সুন্নাতের আবাসভূমি মাদ্বীনাহয় পৌঁছা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর একমাত্র রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মুহাজির ও আনসার সহাবাদের নিকট আপনার বক্তব্য তুলে ধরুন। তাঁরা আপনার বক্তব্য হেফাযত করবে এবং তার উপযুক্ত মর্যাদা দিবে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমি মাদ্বীনাহয় পৌঁছলে অবশ্য অবশ্যই সবচেয়ে আগে এটি করব। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমরা মাদ্বীনাহয় পৌঁছলাম। তখন ‘উমার (রাঃ) ভাষণ দিলেন, আল্লাহ্ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সত্য বাণী দিয়ে পাঠিয়েছেন, তাঁর উপর কিতাব নাযিল করেছেন। তাতে ‘রজ্ম’-এর আয়াতও রয়েছে।[1] [২৪৬২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
Sahih al BukhariHadith 7323
7323