وَكَانَتْ عَائِشَةُ يَؤُمُّهَا عَبْدُهَا ذَكْوَانُ مِنَ الْمُصْحَفِ وَوَلَدِ الْبَغِيِّ وَالْأَعْرَابِيِّ وَالْغُلَامِ الَّذِي لَمْ يَحْتَلِمْ لِقَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَؤُمُّهُمْ أَقْرَؤُهُمْ لِكِتَابِ اللَّهِ. وَلاَ يَمْنَعُ العَبْدُ مِنَ الْجَمَاعَةِ بِغَيْرِ عِلَّةٍ ‘আয়িশাহ্ (রাযি.)-এর গোলাম যাক্ওয়ান কুরআন দেখে কিরাআত পড়ে ‘আয়িশাহ্ (রাযি.)-এর ইমামাত করতেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তাদের মধ্যে যে আল্লাহর কিতাব সম্বন্ধে অধিক জানে সে তাদের ইমামাত করবে। [ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন,] বিনা কারণে গোলামকে জামা‘আতে উপস্থিত হতে বাধা দেয়া যাবে না]। ৬৯২. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর (মদিনা্য়) আগমনের পূর্বে মুহাজিরগণের প্রথম দল যখন কুবা এলাকার কোন এক স্থানে এলেন, তখন আবূ হুযাইফাহ (রাযি.)-এর আযাদকৃত গোলাম সালিম (রাযি.) তাঁদের ইমামাত করতেন। তাঁদের মধ্যে তিনি কুরআন সম্পর্কে অধিক অভিজ্ঞ ছিলেন। (৭১৭৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
Sahih al BukhariHadith 692