Sahih al Bukhari
5043

وَقَوْلِهِ تَعَالَى (وَرَتِّلِ الْقُرْاٰنَ تَرْتِيْلًا)وَقَوْلِهِ (وَقُرْاٰنًا فَرَقْنَاهُ لِتَقْرَأَه” عَلَى النَّاسِ عَلٰى مُكْثٍ) وَمَا يُكْرَهُ أَنْ يُهَذَّ كَهَذِّ الشِّعْرِ فِيْهَا يُفْرَقُ يُفَصَّلُ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ (فَرَقْنَاه”) فَصَّلْنَاهُ. এ সম্পর্কে আল্লাহর বাণীঃ কুরআন তিলাওয়াত কর ধীরে ধীরে সুস্পষ্টভাবে। আল্লাহ্ তা‘আলা ইরশাদ করেনঃ আমি কুরআন অবতীর্ণ করেছি যাতে তুমি তা মানুষের নিকট পাঠ করতে পার ক্রমে ক্রমে। কবিতা পাঠের মতো দ্রুতগতিতে কুরআন পাঠ করা অপছন্দনীয়। আল্লাহর বাণী فِيْهَايُفْرَقُ ‘তাতে পৃথক করা হয়’ এর অর্থ স্পষ্ট করা হয়। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, আল্লাহর বাণী فَرَقْنَاهُ ‘আমরা পৃথক করেছি’ এর অর্থ আমরা স্পষ্ট করেছি। ৫০৪৩. আবূ ওয়ায়িল (রহ.) সূত্রে ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আবূ ওয়ায়িল (রহ.) বলেন, আমরা একদিন সকালে ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। একজন লোক বলল, গতকাল রাতে আমি মুফাস্সাল সূরাসমূহ পাঠ করেছি। এ কথা শুনে ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বললেন, এত শীঘ্র পাঠ করা যেন কবিতা পাঠের মতো; অথচ আমরা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পাঠ শুনেছি এবং তা আমার ভালভাবে মনে আছে। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যে সমস্ত সূরাহ পাঠ করতে আমি শুনেছি, তার সংখ্যা মুফাস্সাল হতে আঠারটি এবং ‘আলিফ-লাম হামিম’ হতে দু’টি। [৭৭৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)