Sahih al Bukhari
4694

(فَلَمَّا جَآءَهُ الرَّسُوْلُ قَالَ ارْجِعْ إِلٰى رَبِّكَ فاسْأَلْهُ مَا بَالُ النِّسْوَةِ الّٰتِيْ قَطَّعْنَ أَيْدِيَهُنَّ طإِنَّ رَبِّيْ بِكَيْدِهِنَّ عَلِيْمٌ قَالَ مَا خَطْبُكُنَّ إِذْ رَاوَدْتُّنَّ يُوْسُفَ عَنْ نَّفْسِهٰطقُلْنَ حَاشَ لِلهِ) আর বাদশাহ বললঃ তোমরা ইউসুফকে আমার কাছে নিয়ে এসো। তারপর দূত যখন তার কাছে এলো তখন সে বললঃ তুমি ফিরে যাও তোমার মনিবের কাছে এবং তাকে জিজ্ঞেস কর, ঐ রমণীদের কী অবস্থা যারা নিজেদের হাত কেটে ফেলেছিল। আমার রব অবশ্যই তাদের চক্রান্ত খুব অবগত আছেন। বাদশাহ রমণীদের বললঃ তোমাদের ঘটনা কী? তোমরা যখন ইউসুফকে তোমাদের কামনা চরিতার্থ করার জন্য ফুসলিয়েছিলে? তারা বললঃ অদ্ভূত আল্লাহর মাহাত্ম্য! তার মধ্যে কোন দোষ আছে বলে আমরা জানতে পারিনি। (সূরাহ ইউসুফ ১২/৫০-৫১) وَحَاشَ وَحَاشَى تَنْزِيْهٌ وَاسْتِثْنَاءٌ (حَصْحَصَ) وَضَحَ. حَاشَوَحَاشَى এটা تَنْزِيْهٌ এবং اسْتِثْنَاءٌ এর জন্য। حَصْحَصَ প্রকাশ হয়ে গেল। ৪৬৯৪. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ্ তা‘আলা লূত (আঃ)-এর উপর রহম করুন। তিনি তাঁর সম্প্রদায়ের চরম শত্রুতায় বাধ্য হয়ে, নিজের নিরাপত্তার জন্য শক্ত খুঁটি অর্থাৎ আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করেছিলেন। যতদিন পর্যন্ত ইউসুফ (আঃ) (বন্দীখানায়) ছিলেন, আমি যদি এভাবে বন্দীখানায় থাকতাম, তবে মুক্তি পাবার ডাকে অবশ্যই সাড়া দিতাম [1]। আমরা (সন্দেহভঞ্জন করার ব্যাপারে) ইব্রাহীম (আঃ)-এর চেয়েও আগে বেড়ে যেতাম [2] যখন আল্লাহ্ তাঁকে বললেন, তুমি কি বিশ্বাস কর না? জবাবে তিনি বললেন, হাঁ। তবে আমার মনের প্রশান্তির জন্য। [৩৩৭২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)