(وَكُنْتُ عَلَيْهِمْ شَهِيْدًا مَّا دُمْتُ فِيْهِمْ جفَلَمَّا تَوَفَّيْتَنِيْ كُنْتَ أَنْتَ الرَّقِيْبَ عَلَيْهِمْ طوَأَنْتَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ شَهِيْدٌ). ‘‘আর আমি তাদের ব্যাপারে সাক্ষী ছিলাম যতদিন আমি তাদের মধ্যে ছিলাম। তারপর যখন আপনি আমাকে তুলে নিলেন তখন থেকে আপনিই তাদের সম্বন্ধে ওয়াকিফহাল। আর আপনিই সর্ববিষয়ে পূর্ণ জ্ঞাত।’’ (সূরাহ আল-মায়িদাহ ৫/১১৭) ৪৬২৫. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক দিন খুতবা দিলেন, বললেন, হে লোক সকল! তোমরা নগ্ন পদ, উলঙ্গ এবং খতনাবিহীন অবস্থায় আল্লাহর নিকট একত্রিত হবে, তারপর তিনি পড়লেন,كَمَا بَدَأْنَآ أَوَّلَ خَلْقٍ نُّعِيْدُه وَعْدًا عَلَيْنَا إِنَّا كُنَّا فٰعِلِيْنَ যেভাবে আমি প্রথম সৃষ্টির সূচনা করেছিলাম সেভাবে পুনরায় সৃষ্টি করব, প্রতিশ্রুতি পালন আমার কর্তব্য, আমি তা পালন করবই। আয়াতের শেষ পর্যন্ত। (সূরাহ আম্বিয়া ২১/১০৪) তারপর তিনি বললেন, কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম যাকে বস্ত্র পরিধান করানো হবে তিনি হচ্ছেন ইবরাহীম (আঃ)। তোমরা জেনে রাখ, আমার উম্মতের কতগুলো লোককে হাজির করা হবে এবং তাদেরকে বামদিকে অর্থাৎ জাহান্নামের দিকে দেয়া হবে। আমি তখন বলব, প্রভু হে! এগুলো তো আমার কতক সাহাবী, তখন বলা হবে যে, আপনার পর তারা কী নবোদ্ভাবিত কাজ করেছে তা আপনি জানেন না। এরপর পুণ্যবান বান্দা যেমন বলেছিলেন আমি তেমন বলবঃ كُنْتُ عَلَيْهِمْ شَهِيْدًا مَّا دُمْتُ فِيْهِمْ جفَلَمَّا تَوَفَّيْتَنِيْ كُنْتَ أَنْتَ الرَّقِيْبَ عَلَيْهِمْ ‘‘আমি যতদিন তাদের ছিলাম ততদিন তাদের খোঁজখবর নিয়েছি, অতঃপর আপনি যখন আমাকে উঠিয়ে নিয়েছেন তখন থেকে আপনিই তাদের রক্ষক’’। এরপর বলা হবে আপনি তাদেরকে ছেড়ে আসার পর থেকে তারা পেছনে ফিরে গিয়ে ধর্মত্যাগী হয়েছে। [৩৩৪৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
Sahih al BukhariHadith 4625
4625