(صَعِيْدًا): وَجْهَ الْأَرْضِ وَقَالَ جَابِرٌ كَانَتْ الطَّوَاغِيْتُ الَّتِيْ يَتَحَاكَمُوْنَ إِلَيْهَا فِيْ جُهَيْنَةَ وَاحِدٌ وَفِيْ أَسْلَمَ وَاحِدٌ وَفِيْ كُلِّ حَيٍّ وَاحِدٌ كُهَّانٌ يَنْزِلُ عَلَيْهِمْ الشَّيْطَانُ وَقَالَ عُمَرُ : (الْجِبْتُ) : السِّحْرُ، (وَالطَّاغُوْتُ) : الشَّيْطَانُ. وَقَالَ عِكْرِمَةُ : (الْجِبْتُ) بِلِسَانِ الْحَبَشَةِ شَيْطَانٌ. (وَالطَّاغُوْتُ) : الْكَاهِنُ. صَعِيْدًا-মাটির উপরিভাগ। জাবির (রাঃ) বলেন, যে সকল তাগূতের কাছে তারা বিচারের জন্য যেত তাদের একজন ছিল বুহাইনাহ গোত্রের, একজন আসলাম গোত্রের এবং এভাবে প্রত্যেক গোত্রে এক-একজন করে তাগূত ছিল। তারা হচ্ছে গণক। তাদের কাছে শায়ত্বন আসত। ‘উমার (রাঃ) বলেন, الْجِبْتُ-জাদু, وَالطَّاغُوْتُ-শায়তান। ‘ইকরামাহ (রাঃ) বলেন, হাবশী ভাষায় শায়ত্বনকে الْجِبْتُ বলা হয়। আর গণককে طَّاغُوْتُ বলা হয়। ৪৫৮৩. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার কাছ থেকে আসমা (রাঃ)-এর একটি হার হারিয়ে গিয়েছিল। সেটা খোঁজার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়েকজন লোক পাঠিয়েছিলেন। তখন সালাতের সময় হল, তাদের কাছে পানি ছিল না। তারা উযূর অবস্থায় ছিলেন না আবার পানিও পেলেন না। এরপর বিনা অযুতে সালাত আদায় করে ফেললেন। তখন আল্লাহ তা‘আলা তায়াম্মুমের নিয়মবিধি অবতীর্ণ করলেন। [৩৩৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
Sahih al BukhariHadith 4583
4583