সফওয়ান-এর পিতা ইয়ালা ইবনু ‘উমাইয়াহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে কষ্টের (তাবূকের) যুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। ইয়া’লা বলতেন যে, উক্ত যুদ্ধ আমার কাছে নির্ভরযোগ্য ‘আমলের অন্যতম বলে বিবেচিত হত। ‘আত্বা (রহ.) বলেন যে, সাফওয়ান বলেছেন, ইয়া’লা (রাঃ) বর্ণনা করেন, আমার একজন দিনমজুর চাকর ছিল, সে একবার এক ব্যক্তির সঙ্গে ঝগড়ায় লিপ্ত হল এবং এক পর্যায়ে একজন অন্যজনের হাত দাঁত দ্বারা কেটে ফেলল। ‘আত্বা (রাঃ) বলেন, আমাকে সাফওয়ান (রহ.) জানান যে, উভয়ের মধ্যে কে কার হাত দাঁত দ্বারা কেটে ছিল তার নাম আমি ভুলে গেছি। রাবী বলেন, আহত ব্যক্তি আহতকারীর মুখ থেকে নিজ হাত বের করার পর দেখা গেল, তার সম্মুখের একটি দাঁত উপড়ে গেছে। তারপর দু’জন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সমীপে আসল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দাঁতের ক্ষতিপূরণের দাবি নাকোচ করে দিলেন। ‘আত্বা বলেন যে, আমার ধারণা যে, বর্ণনাকারী এ কথাও বলেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তবে কি সে তার হাত তোমার মুখে চিবানোর জন্য ছেড়ে দিবে? যেমন উটের মুখে চিবানোর জন্য ছেড়ে দেয়া হয়? [১৮৪৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
Sahih al BukhariHadith 4417
4417