Sahih al Bukhari
3394

بَابُ وَقَالَ رَجُلٌ مُّؤْمِنٌ مِّنْ اٰلِ فِرْعَوْنَ يَكْتُمُ إِيْمَانَهُ إِلَى قَوْلِهِ مُسْرِفٌ كَذَّابٌ (غافر : 28) ৬০/২৩. অধ্যায় : ‘‘ফির‘আউন গোত্রের এক মু’মিন ব্যক্তি যে তার ঈমান গোপন রাখত, ... ...। নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারী মিথ্যাবাদীকে পথ প্রদর্শন করেন না।’’ (গাফির/আল-মু’মিনঃ ২৮)১ وَهَلْ أَتَاكَ حَدِيْثُ مُوْسٰى (طه : 9) وَكَلَّمَ اللهُ مُوْسٰى تَكْلِيُمًا (النساء : 164) হে মুহাম্মাদ! আপনার নিকট কি মূসার বৃত্তান্ত পৌঁছেছে? (ত্বা-হা ৯) আর আল্লাহ্ মূসার সঙ্গে সাক্ষাতে কথাবার্তা বলেছেন। (আন-নিসাঃ ১৬৪) ৩৩৯৪. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে রাতে আমার মি‘রাজ হয়েছিল, সে রাতে আমি মূসা (আঃ)-কে দেখতে পেয়েছি। তিনি হলেন, হালকা পাতলা দেহের অধিকারী ব্যক্তি তাঁর চুল কোঁকড়ানো ছিল না। মনে হচ্ছিল তিনি যে ইয়ামান দেশীয় শানূআ গোত্রের জনৈক ব্যক্তি, আর আমি ‘ঈসা (আঃ)-কে দেখতে পেয়েছি। তিনি হলেন মধ্যম দেহবিশিষ্ট, গায়ের রং ছিল লাল। যেন তিনি এক্ষুণি গোসলখানা হতে বের হলেন। আর ইব্রাহীম (আঃ)-এর বংশধরদের মধ্যে তাঁর সঙ্গে আমার চেহারার মিল সবচেয়ে বেশি। অতঃপর আমার সম্মুখে দু’টি পেয়ালা আনা হল। তার একটিতে ছিল দুধ আর অপরটিতে ছিল শরাব। তখন জিব্রাঈল (আঃ) বললেন, এ দু’টির মধ্যে যেটি চান আপনি পান করতে পারেন। আমি দুধের পেয়ালাটি নিলাম এবং তা পান করলাম। তখন বলা হল, আপনি স্বভাব প্রকৃতিকে বেছে নিয়েছেন। দেখুন, আপনি যদি শরাব নিয়ে নিতেন, তাহলে আপনার উম্মাতগণ পথভ্রষ্ট হয়ে যেত। (৩৪৩৭, ৪৭০৯, ৫৫৭৬, ৫৬০৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)